সারের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই সাকিব আল হাসান শিকার করেন ফোর-ফার। বল হাতে আলো ছড়ানো সাকিব অবশ্য ব্যাট হাতে হয়েছেন ব্যর্থ। ২৪ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে বল হাতে ৩৩.৫ ওভার করা সাকিব ব্যাটিংয়ে নেমে ক্রিজে ছিলেন কেবল ২১ মিনিট। ২০০৭ সালের নভেম্বরের পর প্রথমবারের মতো সাকিব প্রথম-শ্রেণীর ম্যাচে ক্যাচ অ্যান্ড বোল্ড হয়ে আউট হয়েছেন। এদিন সমারসেটের স্পিনার জ্যাক লিচের ডেলিভারি এগিয়ে খেলতে গিয়ে সহজ ক্যাচ তুলে দেন। ক্যাচ লুফে নিতে ভুল করেননি লিচ। হতাশা নিয়ে প্যাভিলিয়নে পথে হাটতে থাকেন সাকিব। টনটনে ম্যাচের প্রথম দিনে সাকিবের স্পিন ঘূর্ণিতেই সমারসেট অলআউট হয়ে যায় ৩১৭ রানে। সারের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন সাকিবই। বল হাতে নিজের সেরাটা দিয়েছেন, ৩৩.৫ ওভারে ৯৭ রান খরচায় দখলে নেন ৪ উইকেট। বল হাতে আলো ছড়ালেও ব্যাটিংয়ে বিবর্ণ ছিলেন সাকিব আল হাসান। দলকে স্বস্তি দেওয়ার বদলে আরও বাড়িয়ে গেছেন বিপদ। ম্যাচের তৃতীয় দিনে রায়ান প্যাটেল ব্যক্তিগত ৭০ রানে আউট হলে উইকেটে আসেন সাকিব। উইকেটে এসেই মোকাবিলা করেন জ্যাক লিচকে। চতুর্থ বলে গিয়ে রানের দেখা পান সাকিব। এরপর আরাচি ভনকে হাঁকান বাউন্ডারি। তবে সাকিবের ইনিংস যেতে পারেনি বেশিদূর। ব্যক্তিগত ১২ রানে লিচের বোলিংয়ে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। দলীয় ২১৬ রানে সারে হারায় তাদের পঞ্চম উইকেট। দ্রæত সাকিবের বিদায়ে যেন সারের বিপদ আরও বড় হয়ে সামনে আসে। তখন তারা সমারসেটের প্রথম ইনিংসের চেয়ে পিছিয়ে ছিল ১০১ রানে।
Reporter Name 















