Dhaka ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আফগানদের অভিযোগ নয়ডায় মাঠের কন্ডিশন নিয়ে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৪০ Time View

মাঠ শুকাতে টেবিল ফ্যান। পাড়ার ক্রিকেটেও এমন দৃশ্য দেখেছেন কিনা, সন্দেহ আছে। তবে গ্রেটার নয়ডার আফগানিস্তান-নিউজিল্যান্ড একমাত্র টেস্টে এমন দৃশ্যই দেখা গেল। আফগানিস্তানের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত গ্রেটার নয়ডার মাঠ এতটাই নাজুক যে, টেস্টের দ্বিতীয় দিন বৃষ্টি থেমে ঝকঝকে রোদ উঠলেও মাঠ শুকানো যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাঠকর্মীরা বিদ্যুতের লাইন টেনে টেবিল ফ্যান ও স্ট্যান্ড ফ্যান দিয়ে মাঠ শুকানোর কাজ করছেন। তাতেও খুব একটা লাভ না হওয়ায় মাঠের বাইরের অন্য জায়গা থেকে ঘাস তুলে এনে লাগানো হচ্ছে মাঠে, তাতেও যদি খেলা শুরু করা যায়!মাঠের এই অবস্থা দেখে তোপের মুখে পড়েছে ভারত। আফগানদের ভেন্যু ভাড়া দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা পায় বিসিসিআই। অথচ এমন এক মাঠ আফগানিস্তানের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যেখানে বৃষ্টি হলে আর খেলা চালানোই দায়। শুধু আউটফিল্ডই নয়, অভিযোগের তীর ব্যবস্থাপনা নিয়েও। খাবার থেকে অনুশীলন, সব কিছু নিয়েই ক্রিকেটারদের মধ্যে আছে অসন্তোষ। আফগান বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কোনো সুব্যবস্থা নেই। এখানে আর কখনও আসব না। লক্ষ্ণৌয়ে খেলব। নয়ডার নূন্যতম সুযোগ-সুবিধা নেই। পুরো মাঠ জুড়েই অব্যবস্থাপনা। খেলোয়াড়রা খাবার নিয়ে অখুশি, অনুশীলনের জায়গাও ঠিক নয়, সব কিছুই খারাপ।’ আরও এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আফগানিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেট হয় যেখানে সেই মাঠও এর চেয়ে ভালো। ২০১৬ সালে এখানে এসেছিলাম, কোনো কিছু বদলায়নি। সেই কিউরেটর ও মাঠকর্মীরাই।’ আফগানিস্তানের সামনে অবশ্য লক্ষ্ণৌকেও ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। তা না করায় এখন নিজেদের কপাল চাপড়ানো ছাড়া যেন আর কিছুই করার নেই। এবার যে অভিজ্ঞতা হলো, তাতে আগামী দিনে হয়ত ভারতের বদলে অন্য কোনো দেশকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের কথা ভাববে আফগানিস্তান।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

আফগানদের অভিযোগ নয়ডায় মাঠের কন্ডিশন নিয়ে

Update Time : ০১:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মাঠ শুকাতে টেবিল ফ্যান। পাড়ার ক্রিকেটেও এমন দৃশ্য দেখেছেন কিনা, সন্দেহ আছে। তবে গ্রেটার নয়ডার আফগানিস্তান-নিউজিল্যান্ড একমাত্র টেস্টে এমন দৃশ্যই দেখা গেল। আফগানিস্তানের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত গ্রেটার নয়ডার মাঠ এতটাই নাজুক যে, টেস্টের দ্বিতীয় দিন বৃষ্টি থেমে ঝকঝকে রোদ উঠলেও মাঠ শুকানো যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাঠকর্মীরা বিদ্যুতের লাইন টেনে টেবিল ফ্যান ও স্ট্যান্ড ফ্যান দিয়ে মাঠ শুকানোর কাজ করছেন। তাতেও খুব একটা লাভ না হওয়ায় মাঠের বাইরের অন্য জায়গা থেকে ঘাস তুলে এনে লাগানো হচ্ছে মাঠে, তাতেও যদি খেলা শুরু করা যায়!মাঠের এই অবস্থা দেখে তোপের মুখে পড়েছে ভারত। আফগানদের ভেন্যু ভাড়া দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা পায় বিসিসিআই। অথচ এমন এক মাঠ আফগানিস্তানের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যেখানে বৃষ্টি হলে আর খেলা চালানোই দায়। শুধু আউটফিল্ডই নয়, অভিযোগের তীর ব্যবস্থাপনা নিয়েও। খাবার থেকে অনুশীলন, সব কিছু নিয়েই ক্রিকেটারদের মধ্যে আছে অসন্তোষ। আফগান বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কোনো সুব্যবস্থা নেই। এখানে আর কখনও আসব না। লক্ষ্ণৌয়ে খেলব। নয়ডার নূন্যতম সুযোগ-সুবিধা নেই। পুরো মাঠ জুড়েই অব্যবস্থাপনা। খেলোয়াড়রা খাবার নিয়ে অখুশি, অনুশীলনের জায়গাও ঠিক নয়, সব কিছুই খারাপ।’ আরও এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আফগানিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেট হয় যেখানে সেই মাঠও এর চেয়ে ভালো। ২০১৬ সালে এখানে এসেছিলাম, কোনো কিছু বদলায়নি। সেই কিউরেটর ও মাঠকর্মীরাই।’ আফগানিস্তানের সামনে অবশ্য লক্ষ্ণৌকেও ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। তা না করায় এখন নিজেদের কপাল চাপড়ানো ছাড়া যেন আর কিছুই করার নেই। এবার যে অভিজ্ঞতা হলো, তাতে আগামী দিনে হয়ত ভারতের বদলে অন্য কোনো দেশকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের কথা ভাববে আফগানিস্তান।