সর্বশেষ :
বাগেরহাটে রামপালে দুর্ঘটনায় ১৪ নিহত, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি, দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ।। বাগেরহাটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদে নতুন পোশাক বিতরণ মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১০ দিনে ৬৮৭ জন নিহত ইরানে বিক্ষোভ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিপ্লবী গার্ডসের ইরানকে সবদিক দিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপলো একের পর এক ভবন উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ ক্রু নিহত আগামী মঙ্গলবার থেকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ম্যাখোঁ
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

গুজরাটে বন্যার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, মৃত বেড়ে ৩৬

প্রতিনিধি: / ২১৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪

বিদেশ : বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই আরো এক নতুন দুর্যোগের প্রহর গোনা শুরু হয়েছে ভারতের গুজরাট রাজ্যে। আরব সাগরের ওপর একটি গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। যেটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া ভবন। শুক্রবার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি অবস্থান করছে রাজ্যের কচ্ছ জেলা ও সংলগ্ন এলাকায়। সেটি ক্রমে উত্তর-পূর্ব আরব সাগরের পশ্চিম দিকে সরবে। তারপর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে। তারপর সেটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম বরাবর উপক‚ল ধরে এগোবে আগামী দুই দিন ধরে। আবহাওয়া ভবন আরো জানিয়েছে, যদি গভীর নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, তাহলে সেটির নাম রাখা হবে ‘আসনা’। পাকিস্তান এই নামের প্রস্তাব দিয়েছে। শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপটি। ফলে শুক্রবার থেকেই দেশের পশ্চিম উপক‚লে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। রাজ্যের সাতটি জেলায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া ভবন। তার মধ্যে রয়েছে, কচ্ছ, জামনগর, মোরবী, দেবভ‚মি দ্বারকা, পোরবন্দর। এদিকে রাজ্যজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির জেরে ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬। মধ্যে বৃষ্টির কারণে দেয়াল চাপা পড়ে তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে পানিতে ডুবে এবং গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কচ্ছ জেলার মাÐবীতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৩৮১ মিলিমিটার। ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে দ্বারকা, গান্ধীধাম, ভুজ, লাখপতে। কচ্ছ অঞ্চলে ১৭৭ শতাংশের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। তারপর রয়েছে সৌরাষ্ট্র অঞ্চল। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১২৪ শতাংশ। দক্ষিণ গুজরাটে ১১১ শতাংশ। এ ছাড়া পূর্ব-মধ্য গুজরাটে ১০৫, উত্তর গুজরাটে ৮৭ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা


এই বিভাগের আরো খবর