1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন

পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ, তদন্তে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

‎পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: ‎খুলনার পাইকগাছায় ৩৬ নং ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সকলের সম্মতিক্রমে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার ১০ দিন পর নানা অনিয়মের কথা  উল্লেখ করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ  করেন একই এলাকার সুবর্ণা আক্তার প্রিয়া।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গত ২৭ জুন বিদ্যালয়ে তদন্ত করতে  যান উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শচিন্দ্র নাথ ও ভূধর চন্দ্র সানা।

‎স্থানীয সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুন তারিখে নিয়ম অনুযায়ী তফশিল ঘোষণা,মাইকিং করে সকলকে অবহিত করাসহ সকল নিয়ম মেনে অভিভাবক ও এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রত্যক্ষ ভোটে বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন  শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। তবে নির্বাচনের  ১০ দিন পর কমিটির গঠন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় জলিল সরদারের মেয়ে সুবর্ণা আক্তার প্রিয়াসহ কয়েকজন অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিধিমালা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যা নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

‎এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর পরই বিষয়টি আমলে নিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে (এটিইও) দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পেয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শচিন্দ্র নাথ ও ভূধর চন্দ্র সানা ২৭ জুন শনিবার

‎সরেজমিনে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান এবং প্রধান শিক্ষক, নবনির্বাচিত কমিটির সদস্য ও স্থানীয় অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কাজ শুরু করেন।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ বাদশা আলমগীর বলেন, গঠনতান্ত্রীক ভাবে সকল অভিভাবক,ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রত্যক্ষ ভোটে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন রা হয়।

প্রত্যক্ষ ভোটে মতিয়ার রহমান ও মুসলিমা খাতুনকে বিদ্যুৎসাহী , মুজিবুর রহমান সরদার ও ফিরোজুল ইসলাম পুরুষ অভিভাবক সদস্য এবং হাবিবা খাতুন ও রত্না খাতুন মহিলা অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত হন। এর ১০ দিন পর স্থানীয় এক অভিভাবক সুবর্ণা আক্তার প্রিয়া কয়েক জন অভিভাবক কে প্রধান শিক্ষকের কথা বলে  ভুল বুঝিয়ে  কাগজে স্বাক্ষর করে অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের দিন সুবর্ণা আক্তার প্রিয়া নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং রেজুলেশন বুকে স্বাক্ষর করেন কিন্তু সেদিন সুবর্ণা কিছু না বলে ১০ দিন পর কেন অভিযোগ করলো তা আমার বোধগম্য নয়।অভিযোগ কারি সুবর্ণা আক্তার বলেন,ওঐ দিন আমি উপস্থিত ছিলাম, স্বাক্ষর ও করেছিলাম কিন্তু আমি বুঝতে পারি নাই এ জন্য আমি অভিযোগ করেছি,যাহাতে পুনরায় ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচন করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শচিন্দ্র নাথ বলেন, ৩৬ নং ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচন সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগে আমরা পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিষয়টি তদন্ত করতে ‎বিদ্যালয়ে যেয়ে এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকদের উপস্থিতিতে তদন্ত করে আসছি।

‎  দ্রুতই বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে ।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত)  সঞ্জয় কুমার দেবনাথ  বলেন,অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষা অফিসারদের পাটানো হয়েছিল তারা তদন্ত করে আসছে তদন্ত রিপোের্ট পাওয়ার পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।

‎বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের মাঝে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সবাই এখন তদন্ত প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে আছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd