1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কারফিউ’ মানতে চান না যুক্তরাজ্যের কিশোর-কিশোরীরা: জরিপ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বিদেশ : যুক্তরাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে রাতের নিষেধাজ্ঞা মানতে চান না বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী। গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্য সরকার জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী কিশোর কিশোরীদের জন্য রাতের বেলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কারফিউ চালুর পরিকল্পনা প্রকাশ করে। সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের সময় এ পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। প্রস্তাবিত এই কারফিউ ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। গত জুনে স্টারমার ঘোষিত ওই নিষেধাজ্ঞায় স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকসহ জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ডিফল্ট সেটিংস হিসেবে রাতের সময়সীমা চালু থাকবে। এর ফলে মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত তারা এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবে না। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে এই সুবিধা বন্ধ করতে পারবেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেন্সাসওয়াইডের করা জরিপে দেখা গেছে, ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ৮৫ শতাংশ এই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করার কথা জানিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া কিশোর-কিশোরীদের প্রায় অর্ধেক জানিয়েছে, বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য তারা এই ফিচারটি বন্ধ করে দেবে। অন্যদিকে ৩৭ শতাংশ জানিয়েছে, অনলাইন কনটেন্ট দেখার জন্য তারা কারফিউ থেকে বেরিয়ে আসবে। জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করে অনলাইন রেসপনসিবিলিটি নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রক বিভাগের প্রধান লিয়ান প্রোক্টর বলেন, শুধু কারফিউ চালু করলেই অনলাইনের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকানো সম্ভব হবে— এমন সম্ভাবনা কম। অনলাইন ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য শুধু কারফিউ যথেষ্ট হবে না। জরিপে অংশ নেওয়া ১ হাজার কিশোরের ২ শতাংশ বলেছে, তারা স্কুল চলাকালীন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকে। অন্যদিকে, ১৮ শতাংশের বেশি কিশোর- কিশোরী জানিয়েছে, তারা রাত ১টা বা তার পর পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট দেখে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন বলেন, প্রস্তাবিত কারফিউ ব্যবস্থার ডিফল্ট সেটিংস যদি বিপুলসংখ্যক কিশোর বন্ধ করে দেয়, তাহলে এর ঐচ্ছিক বা স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, তাদের এই পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা থেকে অনুপ্রাণিত। অস্ট্রেলিয়ায় গত ডিসেম্বরে ওই নিষেধাজ্ঞা চালু হয়, তবে সেখানে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য কোনো কারফিউ নেই। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা চালু করে। তবে এখন পর্যন্ত এর ফলাফল মিশ্র বলে বিবেচিত হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd