1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন

মোরেলগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়ে শিক্ষক সংকট, প্রাইভেট নির্ভর শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি চরম শিক্ষক দৈন্যতায় ভুগছে। ১৮ শিক্ষকের বিপরীতে রয়েছে মাত্র ৬ জন শিক্ষক। নেই বিজ্ঞান বিভাগের কোন শিক্ষক। যার কারনে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। প্রাইভেট নির্ভর হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে কর্মচারীর সকল পদও শূন্য।
সরেজমিনে জানা গেছে, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ও ১৯৮৪ সালে জাতীয়করণকৃত ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়ে বছরের
পর বছর শিক্ষক সংকট নিয়ে চলছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগ সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কোন শিক্ষক
নেই। শিক্ষক সংকটের কারনে কমার্স বিভাগে ভর্তিই নেয়া হয়না। কমার্স বিভাগে ভর্তিচ্ছুদের নিরুৎসাহিত
করা হয়। বিদ্যালয়ে অনুমোদিত বাংলা বিষয়ে ২ জন, গণিত বিষয়ে ২ জন, জীববিজ্ঞানে ১ জন, সামাজিক বিজ্ঞানে
৩ জন এবং ট্রেডের ২ জন শিক্ষকের পদ শূন্য। তাছাড়া ইংরেজি ২ জনে ১ জন, ব্যবসায় শিক্ষায় ১ জন, ভূগোলে ১ জন
ও কৃষি শিক্ষায় ১ জন করে শিক্ষক রয়েছে। শিক্ষক শূন্যতার কারনে বিজ্ঞান বিভাগের কোন ক্লাস হচ্ছেনা। যার কারনে
শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট নির্ভর হয়ে পড়েছে। প্রাইভেটই এখন তাদের ভরসা। শিক্ষক সংকটের কারনে অধিকাংশ শিক্ষকে
বড়তি ক্লাসের চাপ নিতে হচ্ছে। সিলেবাস শেষ করা নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দেয়। অপরদিক বিদ্যালয়ের কর্মচারীর পদও
রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। উচ্চমান ও নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, নিরাপত্তাকর্মীসহ চতুর্থ শ্রেণির
একাধিক পদ শূন্য।
ছাত্রী অভিভাবক শহিদুল ইসলাম, মশিউর রহমান বলেন, ১৬ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার একমাত্র সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের
ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রাখতে হলে জরুরি শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার মানোন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন। তারা আরো ও বলেন,
প্রাইভেটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় প্রস্তুুতি নিতে হয় এবং ভালো রেজাল্টো এ কারনে হয়। নিয়োগের ২ বছরের
মধ্যে কোন বদলি হবেনা এ বিষয় সরকারি নিয়ম চালু হলে এ সংকট অনেকটা নিরসন হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীর শূন্য পদের বিষয়ে
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল চাওয়া হলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এইচ. এম. শহিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীর সংকটের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে
জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। তারপরও সীমিত জনবল দিয়ে শিক্ষার্থীদের
শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা।
এসমস্যা সমাধানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd