1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

নেপালে বন্যার ১ মাস: এখনও নিখোঁজ বহু, শোকে কাতর স্বজনরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বিদেশ : সৌদি আরবে পাঁচ বছর কাজ করে জমানো টাকা নিয়ে নেপালে ফিরেছিলেন নারায়ণ প্রসান। সেই অর্থ দিয়ে নিজের বাড়ি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। পরে আবার বিদেশে গিয়ে কাজ করে বাড়ি পুনর্র্নিমাণ করেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে নতুন করে স্বাভাবিক জীবন শুরু করেছিলেন। কিন্তু গত মাসের ভয়াবহ বন্যা আবারও তার সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। বন্যায় বাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে এখন এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন প্রসান। তার বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় হওয়ায় সেখানে আবার বসবাস করা সম্ভব কি না, সেটিও অনিশ্চিত। পরিবারকে কোথায় পুনর্বাসন করা হবে, সে বিষয়েও এখনো কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে আবারও বিদেশে গিয়ে কাজ করার কথা ভাবছেন তিনি। প্রসান বলেন, ‘এই বন্যা সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। আমি জানি না এখন কী করব।’নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার এক মাস পরও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। প্রসানের মতো হাজার হাজার মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ আরো হাজার হাজার মানুষের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। নিখোঁজদের মধ্যে অনেকেই ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ভয়াবহ দুর্যোগের পর নেপাল সরকারকে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অন্যদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রিয়জন হারানোর পাশাপাশি বাড়িঘর ও জীবিকা হারানোর কষ্টও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া তাঁর প্রথম ভাষণে দেশটির সামপ্রতিক ভয়াবহ বন্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে এবং নেপালের এই দুর্যোগ পুরো বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা। শাহ বলেন, ‘এই দুর্যোগ শুধু একটি স্থানীয় বিপর্যয় নয়, বরং বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা। আমরা কি সত্যিই সেই সতর্কবার্তা শুনেছি?’ নেপালের পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। শাহ বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন কোনো সীমানা চেনে না। হিমবাহ ও বন্যা স্ট্যাম্প বা পাসপোর্ট নিয়ে ভ্রমণ করে না।’

ইশমিতা শাহ বলেন, ‘আবহাওয়ার কারণে আগামী কয়েক দিন কঠিন হতে পারে। তবে আমরা এর জন্য প্রস্তুত আছি।’

 

 

এফএনএস

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd