1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

কান্নায় ভেঙে পড়লেন সেই ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের জ্যোতিকা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচিত মুখ এবং আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ তারকাদের মধ্যে অন্যতম এক অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। যিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্ত এবং হোয়াটসঅ্যাপের ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য। আর এ অভিনেত্রী এবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে নিজের বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন। ওই লাইভে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ, অনলাইন হয়রানি ও কাজের সংকটে তিনি ভীষণভাবে বিপর্যস্ত। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমি আর পারছি না।’ লাইভের শুরুতেই জ্যোতিকা বলেন, নিজের কষ্ট ভাগ করে নেওয়ার মতো কেউ নেই। তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পর আমরা অনেক কথা বলি। কিন্তু যে মানুষটি সেই অবস্থার মধ্যে থাকে, তার কষ্টটা সে-ই জানে। আমি নিজেকে সব সময় শক্ত রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না।’ অভিনেত্রীর দাবি, গত দুই বছর ধরে তার হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। এ সময়ে তাকে নিয়মিত অনলাইন হয়রানি, কটূক্তি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে। আর্থিক সংকটের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক সময় বাবা-মায়ের কাছ থেকে সাহায্য নিতে হচ্ছে, যা তাকে আরও মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। লাইভে জ্যোতিকা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের পর থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও হয়রানি বেড়ে যায়। তার ভাষ্য, নিজের রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থানের কারণে একাধিক পক্ষের সমালোচনা, হুমকি এবং অনলাইন বুলিংয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় নিরাপত্তাজনিত কারণে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেননি। বিভিন্ন সময় তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে, যা তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের। জ্যোতিকা জানান, এসব ঘটনার প্রভাব পড়েছে তার পেশাগত জীবনেও। তার দাবি, অনেকেই তাকে নিয়ে কাজ করতে ভয় পান। ফলে অভিনয়জীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি কারও কাছে গিয়ে কাজ চাইতে পারি না। আপস করেও কাজ করতে পারি না। আমার জীবনটা নরকের মতো হয়ে গেছে।’ লাইভে রাষ্ট্রের প্রতিও আবেদন জানান এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির অবসান চান তিনি। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের মানসিক চাপের কারণে শারীরিকভাবেও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানান। লাইভের শেষদিকে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জ্যোতিকা বলেন, ‘আমি হেল্পলেস। আমি দুঃখিত, এভাবে আমার দুর্বলতা প্রকাশ করতে হলো। কিন্তু আমার আর শক্তি নেই। আমার মনে হচ্ছে, আমি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারব না।’ জ্যোতিকা জ্যোতির এই ফেসবুক লাইভ এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে ঘিরেও আলোচনায় আসেন জ্যোতিকা জ্যোতি। সে সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, তাকে অফিসকক্ষে আটকে রাখা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd