1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

কপিলমুনিতে সম্ভাবনাময় এক মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তি আটকে আছে অর্থের অভাবে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

শেখ আব্দুল গফুর,কপিলমুনি (খুলনা) অফিস: চরম অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না মেধাবী শিক্ষার্থী লিলিমা আখতার কেয়া। শুভ্র সুন্দর মুখাবয়বে যেখানে আলোর প্রভা ছড়িয়ে থাকতো সেটা এখন ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে
আসছে। ডাক্তার হওয়ার প্রবল বাসনা ছিল কেয়াথর। আপন কীর্তিমালার রথে আরোহী হয়ে সে
নিজেকে দাঁড় করাতে চেয়েছিল। কিন্তু পিতার আর্থিক দৈন্যতায় সে যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে
পড়েছে। কেয়া ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার
“কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়” থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ +৫
পেয়েছে। পিতা উপজেলার প্রতাপকাটী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কপিলমুনি বাজারের একজন
পত্রিকা পরিবেশক (হকার)। মা হাসিনা বেগম একজন গৃহীনী। মেয়ের এই কৃতিত্বে পিতা-
মাতা বেজায় খুশি হলেও অভাব অনাটনের কারণে কলেজে ভর্তি করাতে না পারায় তারা হতাশ হয়ে
পড়েছেন। জানতে চাইলে কামরুল বলেন, আগের মত পত্রিকা বিক্রি নেই, যৎসামান্য আয়ে সংসার
চালাতে হিমসিম খাচ্ছি, তাই কলেজের ভর্তির টাকা, বই কেনা, প্রাইভেট পড়ানোসহ অন্যান্য
খরচের টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আবেককে স্থির রাখতে চাইলেও তা
পারেনি কেয়া। নোনা জলে সিক্ত দুটি চোখের ভাষায় ফুটে ওঠে কেয়ার তীব্র মানসিক ব্যকুলতা।
কেয়া জানায়, “আমি কলেজে ভর্তি হতে চাই, আমি ডাক্তার হতে চাই।” সম্ভাবনাময় মেধাবী
মেয়ের কলেজে লেখাপড়ার জন্য পিতা কামরুল মোড়ল চরম দুঃখ ও মনঃকষ্টে রয়েছেন। তিনি তার
মেয়েকে লেখাপড়ার সুযোগ করে দিতে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগীদের নিকট
আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। সাহায্য পাঠনোর বিকাশ নং ০১৭১৮ ৪০৩ ১১২।
ছবিক্যাপঃ শিক্ষার্থী লিলিমা আখতার কেয়া

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd