বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি চিংড়ি মাছের ঘেরের টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে এক যুবককে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় (০১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় মো. আবু সাঈদ বাদি হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য পুটিখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা আবু সাঈদ প্রায় তিন বছর ধরে মো. রিয়াজুল খানের সঙ্গে ৯ বিঘা জমিতে যৌথভাবে মাছের ঘের পরিচালনা করে আসছেন। এর মধ্যে ছাত্রদল নেতা ও তার আত্মীয় ৫ বিঘা, বাকি ৪ বিঘা জমির হাড়ির টাকা দিয়ে ঘেরটি করে আসছেন।
ঘেরে মাছ ছাড়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে রিয়াজুল খান তার কাছ থেকে ৫০ হাজার ও ৭০ হাজার টাকা নেন। পরে ঘেরে মাছ না ছাড়ায় টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।
তবে, রিয়াজুল খান, ফুহাদুল খানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ওই ঘেরে মাছ ধরতে গেলে বাঁধা প্রদান করে। এদের পিছনে কতৃপয় নামধারী বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর কতৃপয় নেতা ইন্ধন দিচ্ছেন। এদিকে জেলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে বিএনপির নেতার ঘেরে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।
এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুটিখালী ইউনিয়নের বুধেরহাট বাজারে রিয়াজুল খানের দোকানের সামনে আবু সাঈদ (২৫) কে পথরোধ করে রিয়াজুল খানসহ ৫ জনের একটি দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় রিয়াজুল খান, রাসেল সরদার, ফুয়াদ খান, আফজাল খান ও মাসুদ সরদারের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আবু সাঈদ। তিনি ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রিয়াজুল খানের একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনর্চাজ মো. শহীদুল্লাহ বলেন, পুটিখালী ইউনিয়নে হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষের দুটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।