পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জামাল হাওলাদার ছিলেন অত্যন্ত দরিদ্র। নদীভাঙনে নিজের বসতভিটা ও ঘরবাড়ি হারিয়ে তিনি পূর্ব আমতলী গুচ্ছগ্রামে বসবাস করেন। পরিবারের আর্থিক সংকট মোকাবিলা এবং স্ত্রী-সন্তানদের জীবিকা নির্বাহের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গত ২৫ জুলাই আলম আকনের ট্রলারে সাগরে ইলিশ মাছ ধরতে জান।
জামাল হাওলাদারে স্যালক দুলাল ফরাজী জানান, গত মঙ্গলবার (১৮আগষ্ট) স্যালার চড় নামক স্থনে প্রচন্ড তুফান থাকাবস্থায় সাগরে জাল ফেলতে গিয়ে তিনি সাগরে পড়ে যান। অনেক খোঁজাখঁজি করেও ওই দিন তাকে পাওয়া যায়নি। পরের দিন বুধবার (১৯ আগষ্ট) দুপুরে মাছ ধরা জালে জামালের মরদেহ পাওয়া যায়। বুধবার রাত ৮ টার দিকে সাগর থেকে ট্রলার যোগে জামালেরর মরদের তার বাড়িতে নিয়ে আসাহয়। রাত ১০ টার দিকে জামালের মরদেহ দাফন করা হয়। জামাল তার মৃত্যুঅন্তে স্ত্রী, চার মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনম ব্যক্তিকে হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা।
এ খবর পাওয়ার পর জেলা জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোরেলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য সমিতির নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে নিহতের বাড়িতে যান। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে গভীর সমবেদনা জানান এবং এ দু:সময়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার বলেন, আমি জামাল হাওলাদারের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিধি মোতাবেক সরকারি অনুদান পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।#