বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল, ঘরবাড়ি ও হাওলি বেড়া ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল সকাল আনুমানিক ১০:০০ টায় এই ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ভান্ডারখোলা গ্রামের হাসেম মল্লিকের পুত্র আজিজুল মল্লিকের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল একই গ্রামের মৃত আশরাফ আলী মল্লিকের পুত্র টিপু মল্লিক ও টুলু মল্লিকের। ওই জমি নিয়ে বাগেরহাট জেলা জজ আদালতে মামলা (দেওয়ানী আপীল নং- ৬৫/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে। আদালত উক্ত জমির বিষয়ে পূর্বের রায় ও ডিগ্রীর ওপর ২১ দিনের স্থগিতাদেশ প্রদান করে উভয় পক্ষকে পরিস্থিতি বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।
অভিযোগ উঠেছে, আদালতের এই আদেশ অমান্য করে গতকাল সকালে টিপু মল্লিক ও টুলু মল্লিকের নেতৃত্বে নারীসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল জোরপূর্বক দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তারা বসতঘরের অংশ, হাওলি বেড়াসহ নানাবিধ জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
তাণ্ডবের মুখে ভুক্তভোগী পক্ষ তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে কচুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষকে আইন নিজের হাতে না তুলে নিয়ে আদালতের নির্দেশ মেনে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল মল্লিক জানান, “আদালতের সুস্পষ্ট স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ বেআইনিভাবে আমাদের সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেই।”
অভিযুক্ত টিপু মল্লিক মুঠোফোনে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ঘরবাড়ি ভাঙচুর দখল এর যে অভিযোগ আনায়ন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভুয়া ভিত্তিহিন বানোয়াট।
কচুযা থানার এস আই মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি সেখানে ঘরবাড়ি ভাঙচুর বা দখলের কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে বাড়ির হাওলি বেড়া ভাংচুর করা হয়েছে।