1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

৩০ টির বেশি দেশে মার্কিন অর্থায়নে ১২০ ‘বায়োল্যাব’ নেটওয়ার্কের তথ্য ফাঁস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

বিদেশ: বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে ১২০টির বেশি জৈব গবেষণাগারে (বায়োলজিক্যাল ল্যাবরেটরি) যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে অর্থায়ন করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের সাবেক পরিচালক (ডিএনআই) তুলসী গ্যাবার্ড। এর মধ্যে মার্কিন অর্থায়নে ইউক্রেনে ৪০টিরও বেশি ল্যাব নির্মিত হয়েছে। গ্যাবার্ড অভিযোগ করেন, আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো এই কর্মসূচি সম্পর্কে এবং এর প্রকৃত পরিধি জনগণের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছিল। প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, অনেক গবেষণাগারে অ্যানথ্রাঙ্, ইবোলা, মার্স, সার্স এবং প্লেগের মতো বিপজ্জনক রোগজীবাণু নিয়ে গবেষণা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে তথাকথিত গেইন অব ফাংশন গবেষণাও পরিচালিত হয়েছে। এসব ল্যাবে জীবাণুর জৈবিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। এ বিষয়ে অফিস অব দ্য ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স জানায়, এসব ল্যাবে সংরক্ষিত জীবাণু এবং গবেষণার প্রকৃতি সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ গবেষণা বন্ধের চেষ্টা করবে। এই নথির তথ্য মতে, ইউক্রেনে ৪০টিরও বেশি গবেষণাগার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন নির্মিত কিংবা পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু ল্যাব সাবেক সোভিয়েত জৈব অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জীবাণু নিয়ে কাজ করত বলে দাবি করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ গবেষণার জন্য ইনস্টিটিউট অব এঙ্পেরিমেন্টাল অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ভেটেরিনারি মেডিসিন প্রতিষ্ঠানের নাম বিশেষভাবে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। নথি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে বিপজ্জনক জীবাণু সংরক্ষিত রয়েছে এবং এটি ভাইরোলজি, ভেটেরিনারি মেডিসিন ও টঙ্েিকালজি নিয়ে গবেষণা করে। গ্যাবার্ড আরও অভিযোগ করেন, সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অ্যান্থোনি ফুসি এবং পূর্ববর্তী প্রশাসনের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বায়োল্যাবের অস্তিত্ব সম্পর্কে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। এছাড়া ওডিএনআই জানিয়েছে, বিদেশে অবস্থিত জীবাণু গবেষণাগারগুলো সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহকে এখন অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং কিছু স্থাপনার চলমান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নিয়ে নৈতিক, আর্থিক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এসব নথিতে উত্থাপিত অভিযোগ ও মূল্যায়নের অনেক বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান ও ব্যাখ্যাও ভিন্ন হতে পারে। সূত্র: নিউজউইক

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd