1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

আনন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৃহত্তম শেয়ারবাজার নাসডাকে তালিকাভুক্তির (আইপিও) পর কাগজে-কলমে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। স্পেসএঙ্রে ইতিহাসে এ তালিকাভুক্তির ঘটনা প্রথম। গতকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু। এতে বলা হয়, স্পেসএঙ্ প্রতি শেয়ার ১৩৫ ডলার দরে ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ ক্লাস-এ শেয়ার বিক্রি করে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই মূল্য নির্ধারণের ফলে কোম্পানিটির বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার। ‘এসপিসিএঙ্’ প্রতীকে নাসডাকে লেনদেন শুরু হলে স্পেসএঙ্ বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর একটি হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আইপিও-সংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, তালিকাভুক্তির পর মাস্কের কাছে প্রায় ৮৪ কোটি ৯৫ লাখ ক্লাস-এ শেয়ার এবং ৫৫৭ কোটি ক্লাস-বি শেয়ার থাকবে। এর মাধ্যমে তিনি কোম্পানির মোট ভোটিং ক্ষমতার ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করবেন। আইপিও মূল্যে মাস্কের স্পেসএঙ্ েথাকা শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৮৬৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া টেসলায় তার প্রায় ৭১ কোটি ৭১ লাখ শেয়ার রয়েছে। টেসলার সাম্প্রতিক শেয়ারমূল্য ৩৯৯ দশমিক ১৫ ডলার ধরে এই অংশীদারিত্বের মূল্য প্রায় ২৮৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। ফলে স্পেসএঙ্ ও টেসলায় মাস্কের মোট সম্পদের কাগুজে মূল্য প্রায় ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে এই সম্পদের হিসাব অনেকটাই তাত্ত্বিক। এটি মূলত স্পেসএঙ্রে বাজারমূল্য এবং টেসলার শেয়ারদরের ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া এতে স্পেসএঙ্রে কিছু কর্মদক্ষতাভিত্তিক শেয়ার পুরস্কারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে কোম্পানির বাজারমূল্য সংক্রান্ত নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণ, মঙ্গল গ্রহে অন্তত ১০ লাখ মানুষের স্থায়ী মানব বসতি স্থাপন এবং পৃথিবীর বাইরে বৃহৎ পরিসরের তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো গড়ে তোলার মতো প্রকল্প। এসব শর্তসাপেক্ষ শেয়ার বাদ দিলে মাস্কের সম্পদের মূল্য ট্রিলিয়ন ডলারের নিচে অবস্থান করবে। অন্যদিকে, দ্রুত রাজস্ব বৃদ্ধি পেলেও স্পেসএঙ্ এখনও লোকসানী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে। ২০২৫ সালে কোম্পানিটির রাজস্ব ১৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা ২০২৪ সালের ১৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেশি। তবে একই সময়ে কোম্পানির নিট লোকসান বেড়ে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আগের বছর ৭৯ কোটি ১০ লাখ ডলার মুনাফা হয়েছিল। ২০০২ সালে ইলন মাস্ক প্রতিষ্ঠিত স্পেসএঙ্ শুরুতে মহাকাশ উৎক্ষেপণ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি মহাকাশ প্রযুক্তি, স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মঙ্গলগ্রহে মানব বসতি স্থাপনের মতো দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এই আইপিও ২০১৯ সালে সৌদি আরামকোর রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির ঘটনা হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। স্পেসএঙ্রে তালিকাভুক্তির আগেও ইলন মাস্ক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে নতুন এই আইপিও তার সম্পদের কাগুজে মূল্যকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যেখানে এর আগে কোনো ব্যক্তি এত সংখ্যক বৈশ্বিক সম্পদের তালিকায় পৌঁছাতে পারেননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd