Dhaka ০১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হায়দ্রাবাদের জয় রেকর্ড বইয়ে তোলপাড় করা ম্যাচে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪
  • ৩১৫ Time View

স্পোর্টস: এই ম্যাচে কি না হলো! একের পর এক রেকর্ডে তোলপাড় হলো রেকর্ড বই। জেতার সর্বাত্মক চেষ্টা করলো দিল্লি ক্যাপিটালস।কিন্তু পেরে উঠলো না। আড়াইশ ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুটিয়ে গেল দুইশর আগে। তাতে ৬৭ রানের বড় জয় পেল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। উঠে এলো পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে। শনিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লির সামনে লক্ষ্য ছিল ২৬৭ রান। জিততে হলে দিল্লিকে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হতো। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় ইনিংসে এত বেশি রান তাড়া করে জিততে পারেনি কোনো দল। দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রানই ২৬২। পারলো না ঋষভ পন্তের দলও। থামলো ১৯৯ রানে। সাত ম্যাচের ৫টিতে জেতা দলটির ওপরে আছে শুধু রাজস্থান রয়্যালস (৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট)। অন্যদিকে অষ্টম ম্যাচে পঞ্চম হারের স্বাদ পেল দিল্লি। রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই ফেরেন পৃথ্বী শ। আরেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ৩ বলে ১ রান করে ফেরেন দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে। ততক্ষণে অবশ্য ২৫ রান তুলে ফেলে দলটি। কারণ অপর প্রান্তে ছিলেন জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। অভিষেক পোরেলকে নিয়ে ৪ ওভারেই ৮৪ রান তুলে ফেলেন এই তরুণ। সেই সঙ্গে তুলে নেন ১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি। যা চলতি আইপিএলের দ্রæততম ফিফটি। শেষে ম্যাকগার্ক থেমেছেন ৫ চার ও ৭ ছক্কায় ১৮ বলে ৬৫ রানে। এরপর ২২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ রান করা পোরেল ফেরেন ২ ওভার পরেই। দলের রান তখন ১৩৫। কার্যত সেখানেই ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় দিল্লি। অধিনায়ক পন্ত এরপর শুধু ব্যবধান কমানোর কাজটিই করেছেন। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ৩৫ বলে ৪৪ রান করে আউট হয়েছেন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে। আর তাতেই ২০০ এর আগেই গুটিয়ে যায় দলটি। এর আগে এর আগে হায়দরাবাদ বড় স্কোর দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মার ঝড়ে। হেড ৩২ বলে ১১ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন ৮৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। তার সঙ্গে ৩৮ বলে ১৩১ রানের উদ্বোধনী জুটির পথে অভিষেক ১২ বলে ৬ ছক্কা ও ২ চারে করেন ৪৬ রান। বাকিটা করেন ৫ ছক্কা ও ২ চারে ২৯ বলে ৫৯ রান করা শাহবাজ।

Tag :
About Author Information

হায়দ্রাবাদের জয় রেকর্ড বইয়ে তোলপাড় করা ম্যাচে

Update Time : ০১:০০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

স্পোর্টস: এই ম্যাচে কি না হলো! একের পর এক রেকর্ডে তোলপাড় হলো রেকর্ড বই। জেতার সর্বাত্মক চেষ্টা করলো দিল্লি ক্যাপিটালস।কিন্তু পেরে উঠলো না। আড়াইশ ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুটিয়ে গেল দুইশর আগে। তাতে ৬৭ রানের বড় জয় পেল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। উঠে এলো পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে। শনিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লির সামনে লক্ষ্য ছিল ২৬৭ রান। জিততে হলে দিল্লিকে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হতো। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় ইনিংসে এত বেশি রান তাড়া করে জিততে পারেনি কোনো দল। দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রানই ২৬২। পারলো না ঋষভ পন্তের দলও। থামলো ১৯৯ রানে। সাত ম্যাচের ৫টিতে জেতা দলটির ওপরে আছে শুধু রাজস্থান রয়্যালস (৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট)। অন্যদিকে অষ্টম ম্যাচে পঞ্চম হারের স্বাদ পেল দিল্লি। রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই ফেরেন পৃথ্বী শ। আরেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ৩ বলে ১ রান করে ফেরেন দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে। ততক্ষণে অবশ্য ২৫ রান তুলে ফেলে দলটি। কারণ অপর প্রান্তে ছিলেন জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। অভিষেক পোরেলকে নিয়ে ৪ ওভারেই ৮৪ রান তুলে ফেলেন এই তরুণ। সেই সঙ্গে তুলে নেন ১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি। যা চলতি আইপিএলের দ্রæততম ফিফটি। শেষে ম্যাকগার্ক থেমেছেন ৫ চার ও ৭ ছক্কায় ১৮ বলে ৬৫ রানে। এরপর ২২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ রান করা পোরেল ফেরেন ২ ওভার পরেই। দলের রান তখন ১৩৫। কার্যত সেখানেই ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় দিল্লি। অধিনায়ক পন্ত এরপর শুধু ব্যবধান কমানোর কাজটিই করেছেন। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ৩৫ বলে ৪৪ রান করে আউট হয়েছেন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে। আর তাতেই ২০০ এর আগেই গুটিয়ে যায় দলটি। এর আগে এর আগে হায়দরাবাদ বড় স্কোর দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মার ঝড়ে। হেড ৩২ বলে ১১ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন ৮৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। তার সঙ্গে ৩৮ বলে ১৩১ রানের উদ্বোধনী জুটির পথে অভিষেক ১২ বলে ৬ ছক্কা ও ২ চারে করেন ৪৬ রান। বাকিটা করেন ৫ ছক্কা ও ২ চারে ২৯ বলে ৫৯ রান করা শাহবাজ।