Dhaka ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ২০ কোটি ডলারের নজরদারি ড্রোন নিখোঁজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৬ Time View

বিদেশ : পারস্য উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ নজরদারি ড্রোন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি মাঝ আকাশে জরুরি সংকেত পাঠানোর পর দ্রুত উচ্চতা হারিয়ে রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। তবে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের। ওপেন সোর্স ফ্লাইট মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইটরেডার-২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৬৯৮০৪ সিরিয়াল নম্বরের ড্রোনটি বাহরাইনের উত্তরাঞ্চলে অবস্থানকালে আন্তর্জাতিক জরুরি কোড ‘৭৭০০’ সংকেত পাঠায়। তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ড্রোনটি কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ৫২ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে হঠাৎ ১২ হাজার ৭৫০ ফুটে নেমে আসে। এরপরই উপসাগরের ওপর এর সিগন্যাল পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি ড্রোনটির বিধ্বস্ত হওয়া নাকি ট্র্যাকিং সিস্টেমের যান্ত্রিক ত্রুটি, তা এখনও অস্পষ্ট। কিছু ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং বিশ্লেষণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, জরুরি সংকেত পাঠানোর ঠিক আগে ড্রোনটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ইরানের আকাশসীমার দিকে গতি পরিবর্তন করেছিল। তবে এই দাবির কোনো সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

এমকিউ-৪সি ট্রাইটন কী?
নর্থরপ গ্রাম্যান কোম্পানির তৈরি এই ড্রোনটি মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যন্ত উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি চালকবিহীন বিমান। এটি মূলত সমুদ্রসীমায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্য সংগ্রহের (আইএসআর) কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ৫০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় একটানা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় উড়তে সক্ষম। প্রতিটি ড্রোনের মূল্য প্রায় ২০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে। বিশাল সমুদ্র অঞ্চলে স্থায়ী নজরদারি ও সামুদ্রিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য এটি ডিজাইন করা হয়েছে। সাধারণত পি-৮এ পসাইডন বিমানের পাশাপাশি এটি মোতায়েন করা হয়।

Tag :
About Author Information

হরমুজের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ২০ কোটি ডলারের নজরদারি ড্রোন নিখোঁজ

Update Time : ০৯:৩৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বিদেশ : পারস্য উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ নজরদারি ড্রোন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি মাঝ আকাশে জরুরি সংকেত পাঠানোর পর দ্রুত উচ্চতা হারিয়ে রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। তবে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের। ওপেন সোর্স ফ্লাইট মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইটরেডার-২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৬৯৮০৪ সিরিয়াল নম্বরের ড্রোনটি বাহরাইনের উত্তরাঞ্চলে অবস্থানকালে আন্তর্জাতিক জরুরি কোড ‘৭৭০০’ সংকেত পাঠায়। তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ড্রোনটি কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ৫২ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে হঠাৎ ১২ হাজার ৭৫০ ফুটে নেমে আসে। এরপরই উপসাগরের ওপর এর সিগন্যাল পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি ড্রোনটির বিধ্বস্ত হওয়া নাকি ট্র্যাকিং সিস্টেমের যান্ত্রিক ত্রুটি, তা এখনও অস্পষ্ট। কিছু ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং বিশ্লেষণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, জরুরি সংকেত পাঠানোর ঠিক আগে ড্রোনটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ইরানের আকাশসীমার দিকে গতি পরিবর্তন করেছিল। তবে এই দাবির কোনো সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

এমকিউ-৪সি ট্রাইটন কী?
নর্থরপ গ্রাম্যান কোম্পানির তৈরি এই ড্রোনটি মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যন্ত উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি চালকবিহীন বিমান। এটি মূলত সমুদ্রসীমায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্য সংগ্রহের (আইএসআর) কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ৫০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় একটানা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় উড়তে সক্ষম। প্রতিটি ড্রোনের মূল্য প্রায় ২০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে। বিশাল সমুদ্র অঞ্চলে স্থায়ী নজরদারি ও সামুদ্রিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য এটি ডিজাইন করা হয়েছে। সাধারণত পি-৮এ পসাইডন বিমানের পাশাপাশি এটি মোতায়েন করা হয়।