Dhaka ০১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মকর্তারা কোন প্রার্থীর প্রচারণা করলে ইসিতে অভিযোগ করুন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৫ Time View

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন এর উপযুক্ত প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবেন। নির্বাচন কমিশন বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেবে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন।

সুনামগঞ্জের ঐতিহ্য জাদুঘর প্রাঙ্গণে গণভোটের কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভায় আজ (২০ জানুয়ারি) তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার বিগত তিনটি নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছে। দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এই প্রথম দেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা অতীতে দেখেছি ভোটকেন্দ্রে মাঠে ছাগল চড়ে বেরিয়েছে, এবার সেই সুযোগ নেই। কারণ এবার নির্বাচন হবে ভোটারদের উৎসবমুখর পরিবেশে। এমনকি আমরা মনে করি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ভোট ও গণভোট একই সঙ্গে হবে। মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। এমনকি গণভোট ও রেফারেনডমের মাধ্যমে দেশের চেহারা বদলে যায় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটে। গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে দেশের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দেশবাসী সর্বগ্রাসী ফ্যাসিজম থেকে মুক্তি পাবে। দেশে আর কোনো স্বৈরশাসকের জন্ম হবে না।

Tag :
About Author Information

সরকারি কর্মকর্তারা কোন প্রার্থীর প্রচারণা করলে ইসিতে অভিযোগ করুন

Update Time : ১০:২২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন এর উপযুক্ত প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবেন। নির্বাচন কমিশন বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেবে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন।

সুনামগঞ্জের ঐতিহ্য জাদুঘর প্রাঙ্গণে গণভোটের কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভায় আজ (২০ জানুয়ারি) তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার বিগত তিনটি নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছে। দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এই প্রথম দেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা অতীতে দেখেছি ভোটকেন্দ্রে মাঠে ছাগল চড়ে বেরিয়েছে, এবার সেই সুযোগ নেই। কারণ এবার নির্বাচন হবে ভোটারদের উৎসবমুখর পরিবেশে। এমনকি আমরা মনে করি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ভোট ও গণভোট একই সঙ্গে হবে। মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। এমনকি গণভোট ও রেফারেনডমের মাধ্যমে দেশের চেহারা বদলে যায় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটে। গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে দেশের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দেশবাসী সর্বগ্রাসী ফ্যাসিজম থেকে মুক্তি পাবে। দেশে আর কোনো স্বৈরশাসকের জন্ম হবে না।