Dhaka ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্তানকে কুমিরভর্তি খালে ফেলে হত্যা করলেন মা, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪
  • ৩০৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার কারণে ছয় বছরের বাক প্রতিবন্ধী সন্তানকে কুমিরভর্তি খালে ফেলে দেন এক মা। গত রোববার কুমিরের কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোমহর্ষক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কার্নাটক প্রদেশে। সোমবার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, দুই সন্তানের পিতা-মাতা সাবিত্রী এবং রবি কুমার দম্পতি। বড় সন্তান বিনোদ (৬) জন্মগতভাবে বাক প্রতিবন্ধী হলেও ছোট সন্তানটি (২) সুস্থ-স্বাভাবিক। তবে বড় সন্তানকে নিয়ে এ দম্পতির মধ্যে প্রায়ই কলহ লেগে থাকে। শিশুটির বাবা সন্তানের প্রতিবন্ধত্বের জন্য প্রায় মাকে দায়ী করত। স্থানীয় পুলিশ জানায়, বড় সন্তানের প্রতিবন্ধী হওয়া নিয়ে এ দম্পতির মধ্যে প্রায়ই কলহ লাগত। শনিবার (৪ মে) একই কারণে ওই দম্পতির মধ্যে ঝগড়া লাগে। এরপর একপর্যায়ে শিশুটির মা প্রতিবন্ধী শিশুটিকে পরিত্যক্ত ড্যান্ডেলি টালুক নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ময়লা খালে ফেলে দেয়। এ জায়গাটি আবার কুমিরের আখড়া হিসেবে পরিচিত। পরে আশেপাশের মানুষ বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে জানায়। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। পরদিন গত রোববার পুলিশ শিশুটির ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার জন্য শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে।

Tag :
About Author Information

সন্তানকে কুমিরভর্তি খালে ফেলে হত্যা করলেন মা, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া

Update Time : ১১:৪১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার কারণে ছয় বছরের বাক প্রতিবন্ধী সন্তানকে কুমিরভর্তি খালে ফেলে দেন এক মা। গত রোববার কুমিরের কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোমহর্ষক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কার্নাটক প্রদেশে। সোমবার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, দুই সন্তানের পিতা-মাতা সাবিত্রী এবং রবি কুমার দম্পতি। বড় সন্তান বিনোদ (৬) জন্মগতভাবে বাক প্রতিবন্ধী হলেও ছোট সন্তানটি (২) সুস্থ-স্বাভাবিক। তবে বড় সন্তানকে নিয়ে এ দম্পতির মধ্যে প্রায়ই কলহ লেগে থাকে। শিশুটির বাবা সন্তানের প্রতিবন্ধত্বের জন্য প্রায় মাকে দায়ী করত। স্থানীয় পুলিশ জানায়, বড় সন্তানের প্রতিবন্ধী হওয়া নিয়ে এ দম্পতির মধ্যে প্রায়ই কলহ লাগত। শনিবার (৪ মে) একই কারণে ওই দম্পতির মধ্যে ঝগড়া লাগে। এরপর একপর্যায়ে শিশুটির মা প্রতিবন্ধী শিশুটিকে পরিত্যক্ত ড্যান্ডেলি টালুক নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ময়লা খালে ফেলে দেয়। এ জায়গাটি আবার কুমিরের আখড়া হিসেবে পরিচিত। পরে আশেপাশের মানুষ বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে জানায়। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। পরদিন গত রোববার পুলিশ শিশুটির ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার জন্য শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে।