Dhaka ০২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুনেছি খামেনি জীবিত নেই, ইরানের আত্মসমর্পণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ: ট্রাম্প

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৩৩ Time View

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি মোজতবা খামেনির জীবিত থাকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহী হলেও এখনই কোনও সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। 

এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির জীবিত থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মোজতবা খামেনি হলেন ইরানের নিহত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না তিনি আদৌ জীবিত আছেন কি না। এখন পর্যন্ত কেউ তাকে দেখাতে পারেনি’। তিনি উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার খামেনি প্রথমবারের মতো একটি বিবৃতি দিয়েছেন, তবে সেটি ভিডিওতে বক্তব্য দেয়ার বদলে লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুনছি তিনি জীবিত নন। আর যদি তিনি জীবিত থাকেন, তাহলে তার দেশের জন্য খুব বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা’। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, খামেনির মৃত্যুর খবর এখনও কেবল ‘গুজব’ হিসেবেই শোনা যাচ্ছে।

একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চাইলেও তিনি এখনই কোনও চুক্তি করতে প্রস্তুত নন। তিনি বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে চায়। কিন্তু আমি এখনই সেটা করতে চাই না, কারণ শর্তগুলো এখনও যথেষ্ট ভালো নয়।’

যদিও তিনি সেই শর্তগুলো কী হতে পারে তা বিস্তারিত বলেননি, তবে উল্লেখ করেন যে সম্ভাব্য কোনও চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে হবে।

এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ঠিক কোন দেশগুলো এতে যুক্ত হয়েছে তা উল্লেখ করেননি তিনি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা হয়তো এটিকে আরও কয়েকবার আঘাত করব- শুধু মজার জন্য।’

Tag :
About Author Information

শুনেছি খামেনি জীবিত নেই, ইরানের আত্মসমর্পণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ: ট্রাম্প

Update Time : ১১:১৯:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি মোজতবা খামেনির জীবিত থাকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহী হলেও এখনই কোনও সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। 

এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির জীবিত থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মোজতবা খামেনি হলেন ইরানের নিহত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না তিনি আদৌ জীবিত আছেন কি না। এখন পর্যন্ত কেউ তাকে দেখাতে পারেনি’। তিনি উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার খামেনি প্রথমবারের মতো একটি বিবৃতি দিয়েছেন, তবে সেটি ভিডিওতে বক্তব্য দেয়ার বদলে লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুনছি তিনি জীবিত নন। আর যদি তিনি জীবিত থাকেন, তাহলে তার দেশের জন্য খুব বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা’। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, খামেনির মৃত্যুর খবর এখনও কেবল ‘গুজব’ হিসেবেই শোনা যাচ্ছে।

একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চাইলেও তিনি এখনই কোনও চুক্তি করতে প্রস্তুত নন। তিনি বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে চায়। কিন্তু আমি এখনই সেটা করতে চাই না, কারণ শর্তগুলো এখনও যথেষ্ট ভালো নয়।’

যদিও তিনি সেই শর্তগুলো কী হতে পারে তা বিস্তারিত বলেননি, তবে উল্লেখ করেন যে সম্ভাব্য কোনও চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে হবে।

এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ঠিক কোন দেশগুলো এতে যুক্ত হয়েছে তা উল্লেখ করেননি তিনি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা হয়তো এটিকে আরও কয়েকবার আঘাত করব- শুধু মজার জন্য।’