1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কারাগারে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ-গুলশান আরা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ঢাকার পল্লবী থানার রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট গুলশান আরাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট মেহেদী হাসান এই আদেশ দিয়েছেন।

গত ১১ অক্টোবর রাতে ঢাকার দুটি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আলী আকবর এই মামলা দায়ের করেন। পরদিন গত ১২ অক্টোবর তাদের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

রিমান্ড শেষে আজ তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের ইন্সপেক্টর শেখ বশির আহমেদ।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকু, মো. মশিউর রহমান জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামিরা নিজ বাসায় অবস্থান করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা এবং বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি নামে সরকার বিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সাথে যুক্ত থেকে তহবিল সংগ্রহ ও সহিংস উস্কানিমূলক ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক প্লাটফর্মে প্রচার করছেন। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ইউনিটি কেয়ার ও পাবলিক পার্লামেন্ট প্লাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান (অব.) আজিজ, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সাথে যোগাযোগ রেখে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ও রাষ্ট্র বিরোধী সংগঠিত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কালআজকাল.কম নামক পেজ তৈরি করে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উস্কে দেওয়ার মতো কন্টেন্ট তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা এবং ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রচার ও পরিচালনা করছেন।

এতে আরও বলা হয়, কাজী গুলশান আরা ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের প্রাক্কালে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সাথে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি প্রকাশ্যে একাত্মতা ও আনুগত্য প্রকাশ করেন। আসামিদের সহযোগী ১০১ জন আসামিদের নিয়ে যথাক্রমে সেনা পরিষদ নামে একটি কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনের কাজ মূলত দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-গোষ্ঠীর ভেতরে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা এবং তারা সুপরিকল্পিতভাবে নিজেরা অংশগ্রহণ করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিভিন্ন উৎসবেতে অংশগ্রহণ করে আইনভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা ও অবজ্ঞা প্রকাশ করে বিদ্বেষ সৃষ্টি করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd