Dhaka ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবি আজিয়াটার ফ্লোর প্রাইস মঙ্গলবার উঠছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
  • ৩৮৫ Time View

অর্থনীতি: পুঁজিবাজারে টেলিযোগাযোগ খাতে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রবি আজিয়াটা লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপ করা ফ্লোর প্রাইস (সর্বনি¤œ সীমা) উঠে যাচ্ছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার থেকে কোম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা অনুযায়ী লেনদেন করবে। গতকাল সোমবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর ফলে রেকর্ড ডেটের পর রবি আজিয়াটার শেয়ার ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের অপেক্ষায় থাকলো। এর আগে গত ২৯ ফেব্রæয়ারি ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইটে গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপ করা ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। আর গত ৩ মার্চ থেকে ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির (বিএটিবিসি) শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা অনুযায়ী লেনদেন শুরু করেছে। গ্রামীণফোন, বিএটিবিসি ও রবি আজিয়াটার শেয়ার রেকর্ড ডেটের পর ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলে গত ৬ ফেব্রæয়ারি এক নির্দেশনায় জানায় বিএসইসি। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল সোমবার রবি আজিয়াটার ছিল রেকর্ড ডেট। সে হিসেবে আজ মঙ্গলবার থেকে কোম্পানির শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকছে না। ফলে অন্যান্য সাধারণ কোম্পানির মতোই বিএটিবিসির শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা অনুযায়ী লেনদেন করবে। এর আগে, গত ৬ ফেব্রæয়ারি ৩টি কোম্পানি ও গত ২২ জানুয়ারি ২৩টির কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয় বিএসইসি। তার আগে গত ১৮ জানুয়ারি ৩৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড বাদে অন্যান্য কোম্পানির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার না করা কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো, বিএসআরএম, ইসলামী ব্যাংক, কেপিসিএল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও রবি। শেয়ারবাজারে লাগাতার পতন ঠেকাতে না পেরে গত চার বছরে কয়েক দফায় শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। বৈশ্বিক সংকটের কারণে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতন রোধে প্রথমবার ২০২০ সালের ১৯ মার্চ ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়, যা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয় ২০২১ সালের ১৭ জুলাই। এরপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই দ্বিতীয় দফায় সব শেয়ারের দরে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে সংস্থাটি। পরবর্তীতে ওই বছরের ২১ ডিসেম্বর ১৬৭ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড থেকে ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, প্রতিদিন একটি-দুটি শেয়ার কেনাবেচার বিপরীতে এক শতাংশ হারে দর কমতে থাকায় ২০২২ সালের ১ মার্চ তৃতীয় দফায় ফের ১৬৭ শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে বিএসইসি।

Tag :
About Author Information

রবি আজিয়াটার ফ্লোর প্রাইস মঙ্গলবার উঠছে

Update Time : ১১:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

অর্থনীতি: পুঁজিবাজারে টেলিযোগাযোগ খাতে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রবি আজিয়াটা লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপ করা ফ্লোর প্রাইস (সর্বনি¤œ সীমা) উঠে যাচ্ছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার থেকে কোম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা অনুযায়ী লেনদেন করবে। গতকাল সোমবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর ফলে রেকর্ড ডেটের পর রবি আজিয়াটার শেয়ার ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের অপেক্ষায় থাকলো। এর আগে গত ২৯ ফেব্রæয়ারি ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইটে গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপ করা ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। আর গত ৩ মার্চ থেকে ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির (বিএটিবিসি) শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা অনুযায়ী লেনদেন শুরু করেছে। গ্রামীণফোন, বিএটিবিসি ও রবি আজিয়াটার শেয়ার রেকর্ড ডেটের পর ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলে গত ৬ ফেব্রæয়ারি এক নির্দেশনায় জানায় বিএসইসি। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল সোমবার রবি আজিয়াটার ছিল রেকর্ড ডেট। সে হিসেবে আজ মঙ্গলবার থেকে কোম্পানির শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকছে না। ফলে অন্যান্য সাধারণ কোম্পানির মতোই বিএটিবিসির শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা অনুযায়ী লেনদেন করবে। এর আগে, গত ৬ ফেব্রæয়ারি ৩টি কোম্পানি ও গত ২২ জানুয়ারি ২৩টির কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয় বিএসইসি। তার আগে গত ১৮ জানুয়ারি ৩৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড বাদে অন্যান্য কোম্পানির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার না করা কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো, বিএসআরএম, ইসলামী ব্যাংক, কেপিসিএল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও রবি। শেয়ারবাজারে লাগাতার পতন ঠেকাতে না পেরে গত চার বছরে কয়েক দফায় শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। বৈশ্বিক সংকটের কারণে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতন রোধে প্রথমবার ২০২০ সালের ১৯ মার্চ ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়, যা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয় ২০২১ সালের ১৭ জুলাই। এরপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই দ্বিতীয় দফায় সব শেয়ারের দরে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে সংস্থাটি। পরবর্তীতে ওই বছরের ২১ ডিসেম্বর ১৬৭ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড থেকে ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, প্রতিদিন একটি-দুটি শেয়ার কেনাবেচার বিপরীতে এক শতাংশ হারে দর কমতে থাকায় ২০২২ সালের ১ মার্চ তৃতীয় দফায় ফের ১৬৭ শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে বিএসইসি।