Dhaka ১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের মধ্যেই ইউরোপে রাশিয়ান গ্যাস রপ্তানি ১৪ শতাংশ বেড়েছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭৯ Time View

বিদেশ : ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই ২০২৪ সালে ইউরোপে রাশিয়ার পাইপলাইন গ্যাস রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেড়ে ৩২ দশমিক ১ বিলিয়ন ঘনমিটারে উন্নীত হয়েছে। রাশিয়ার গ্যাস জায়ান্ট গ্যাজপ্রম এবং ইউরোপিয়ান নেটওয়ার্ক অব ট্রান্সমিশন সিস্টেম অপারেটরস ফর গ্যাসের (ইএনটিএসওজি) তথ্যের ভিত্তিতে রুশ বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য জানিয়েছে। গ্যাজপ্রম ও ইএনটিএসওজির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইউরোপে রাশিয়ার পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ঘনমিটার। বিশেষ করে, ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলোতে ২০২৪ সালে গ্যাস সরবরাহ ছিল ১৫.৪ বিলিয়ন ঘনমিটার, যা আগের বছরের তুলনায় ছয় শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালে তুর্কস্ট্রিম পাইপলাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহ ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৬.৭ বিলিয়ন ঘনমিটারে দাঁড়িয়েছে। শুধু ২০২৪ সালের ডিসেম্বরেই এই রুট দিয়ে ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি নভেম্বরের তুলনায় তিন শতাংশ বেড়েছে। এছাড়াও তুরস্কের এনার্জি মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটির তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে রাশিয়ান পাইপলাইন গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২০ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছাতে পারে। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপে (তুরস্কসহ) রাশিয়ার বার্ষিক পাইপলাইন গ্যাস সরবরাহ ২০২৩ সালে ৪৯ বিলিয়ন ঘনমিটারের তুলনায় প্রায় ৫২ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছাতে পারে।
ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে গ্যাস ট্রানজিট
ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার গ্যাস ট্রানজিট চুক্তি গত ১ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। দেশটির মধ্য দিয়ে বার্ষিক ৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রাশিয়ান পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে কিয়েভ চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকৃতি জানানোয় ১ জানুয়ারি সকালে রুশ কোম্পানি গ্যাজপ্রম ট্রানজিট বন্ধ করে দেয়। এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়ার গ্যাস ট্রানজিটের জন্য অবশ্যই (ইউক্রেনের সঙ্গে) নতুন কোনো চুক্তি হবে না। কারণ নতুন বছরের মাত্র কয়েকদিন আগে কোনো চুক্তি করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে কিয়েভও রাশিয়ার গ্যাস ট্রানজিট বন্ধের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট তৃতীয় পক্ষের সাথে চুক্তির সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। যেমন তুর্কি, হাঙ্গেরিয়ান, ¯েøাভাক এবং আজারবাইজানীয় সংস্থাগুলো। এরপর ইউক্রেন ইউরোপীয় কমিশনের অনুরোধের ভিত্তিতে গ্যাস ট্রানজিট পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে। তবে বলেছে, গ্যাসকে ‘রাশিয়ান’ হিসাবে বিবেচনা করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়।

Tag :
About Author Information

যুদ্ধের মধ্যেই ইউরোপে রাশিয়ান গ্যাস রপ্তানি ১৪ শতাংশ বেড়েছে

Update Time : ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

বিদেশ : ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই ২০২৪ সালে ইউরোপে রাশিয়ার পাইপলাইন গ্যাস রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেড়ে ৩২ দশমিক ১ বিলিয়ন ঘনমিটারে উন্নীত হয়েছে। রাশিয়ার গ্যাস জায়ান্ট গ্যাজপ্রম এবং ইউরোপিয়ান নেটওয়ার্ক অব ট্রান্সমিশন সিস্টেম অপারেটরস ফর গ্যাসের (ইএনটিএসওজি) তথ্যের ভিত্তিতে রুশ বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য জানিয়েছে। গ্যাজপ্রম ও ইএনটিএসওজির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইউরোপে রাশিয়ার পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ঘনমিটার। বিশেষ করে, ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলোতে ২০২৪ সালে গ্যাস সরবরাহ ছিল ১৫.৪ বিলিয়ন ঘনমিটার, যা আগের বছরের তুলনায় ছয় শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালে তুর্কস্ট্রিম পাইপলাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহ ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৬.৭ বিলিয়ন ঘনমিটারে দাঁড়িয়েছে। শুধু ২০২৪ সালের ডিসেম্বরেই এই রুট দিয়ে ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি নভেম্বরের তুলনায় তিন শতাংশ বেড়েছে। এছাড়াও তুরস্কের এনার্জি মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটির তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে রাশিয়ান পাইপলাইন গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২০ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছাতে পারে। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপে (তুরস্কসহ) রাশিয়ার বার্ষিক পাইপলাইন গ্যাস সরবরাহ ২০২৩ সালে ৪৯ বিলিয়ন ঘনমিটারের তুলনায় প্রায় ৫২ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছাতে পারে।
ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে গ্যাস ট্রানজিট
ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার গ্যাস ট্রানজিট চুক্তি গত ১ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। দেশটির মধ্য দিয়ে বার্ষিক ৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রাশিয়ান পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে কিয়েভ চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকৃতি জানানোয় ১ জানুয়ারি সকালে রুশ কোম্পানি গ্যাজপ্রম ট্রানজিট বন্ধ করে দেয়। এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়ার গ্যাস ট্রানজিটের জন্য অবশ্যই (ইউক্রেনের সঙ্গে) নতুন কোনো চুক্তি হবে না। কারণ নতুন বছরের মাত্র কয়েকদিন আগে কোনো চুক্তি করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে কিয়েভও রাশিয়ার গ্যাস ট্রানজিট বন্ধের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট তৃতীয় পক্ষের সাথে চুক্তির সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। যেমন তুর্কি, হাঙ্গেরিয়ান, ¯েøাভাক এবং আজারবাইজানীয় সংস্থাগুলো। এরপর ইউক্রেন ইউরোপীয় কমিশনের অনুরোধের ভিত্তিতে গ্যাস ট্রানজিট পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে। তবে বলেছে, গ্যাসকে ‘রাশিয়ান’ হিসাবে বিবেচনা করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়।