1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেটের উপর বিরক্ত রিকি পন্টিং

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। লক্ষ্যটা পরিষ্কার- বেসবল ও সকারের দেশে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করে তোলা। ওই আসরে স্বাগতিক মার্কিনীরা পাকিস্তানকে হারিয়ে চমক দেখিয়ে সুপার এইটে ওঠে। তবুও যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেট এখনও উদীয়মান খেলাগুলোর একটি। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টির প্রতি তাদের অতি ঝোঁক দেখে বিরক্ত অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি রিকি পন্টিং। তিনি দেশটিতে চলমান খেলাকে ক্রিকেট বলতে চান না। রিকি পন্টিং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ মেজর লিগ ক্রিকেটের (এমএলসি) দল ওয়াশিংটন ফ্রিডমের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেটের বিকাশ প্রত্যাশার তুলনায় ধীরগতির বলে দাবি তার। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করতে হলে ‘ক্রিকেট’ নামটিই বাদ দিয়ে খেলাটিকে শুধু টি-টোয়েন্টি হিসেবে পরিচিত করানো যেতে পারে। সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পন্টিং বলছেন, ‘আমি যদি এখানে শুধু খেলাটিকে বিক্রি ও জনপ্রিয় করার উদ্দেশে নিয়ে আসতাম, তাহলে একে ক্রিকেট বলতাম না। শুধু টি-টোয়েন্টি হিসেবে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করতাম। ক্রিকেটের বিষয়টি আপাতত এক পাশে রাখতাম। বিশ্বের যেসব অঞ্চলের মানুষ ছোটবেলা থেকে ক্রিকেট দেখে বড় হয়নি, সেখানকার তরুণরা ক্রিকেট শুনলেই পাঁচ দিনের (টেস্ট) খেলার কথা ভাবে। অথচ এখানে পরিস্থিতি ভিন্ন। আমি যতটা সম্ভব এটাকে বেসবলের সঙ্গে তুলনা করতাম। শিশুদের বোঝাতাম, টি-টোয়েন্টিতে একটি ম্যাচে ১৫টি ছক্কা মারা হতে পারে, যেখানে বেসবলের একটি ম্যাচে হোম রান হয় একটিরও কম।’ যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ানডে ও টেস্ট ফরম্যাটকেও কীভাবে জনপ্রিয় করা যায়- এমন প্রশ্নে সংশয়ের সুরে পন্টিংয়ের জবাব, ‘আপনি খেলাটিকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন, এমন বাজারে (সম্ভব) নয়। এ নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই। আমি টেস্ট ক্রিকেট ভালোবাসি। টি-টোয়েন্টির চেয়ে এই ফরম্যাটেই অনেক বেশি খেলেছি। কিন্তু এখন আমি অনেক বেশি কাজ করছি টি-টোয়েন্টি নিয়ে।’ মার্কিন তরুণদের বেসবল থেকে টি-টোয়েন্টির দিকে ফেরানোর ওপরও জোর দিয়েছেন পন্টিং। তার মতে, ‘আমরা আরও বেশি শিশুকে অল্প বয়সেই ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত করতে পারি এবং বেসবল থেকে কিছু শিশুকে টি-টোয়েন্টিতে নিয়ে আসতে পারি। খেলাটিকে যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়াতে চাইলে এটাই হতে হবে আমাদের লক্ষ্য। টি-টোয়েন্টি যে বিনোদনের প্যাকেজ দেয়, সেটিকে কাজে লাগাতে হবে। সময়ের দিক থেকে বেসবল ও টি-টোয়েন্টির এক ম্যাচের দৈর্ঘ্য কাছাকাছি হলেও টি-টোয়েন্টিতে বেসবলের তুলনায় অনেক বেশি কিছু ঘটে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd