বিদেশ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরান সংকটের অবসানে আলোচনা করতে ইচ্ছুক, কিন্তু তেহরান আলোচনায় আন্তরিক নয়। গতকাল বুধবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেছেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। গত সোমবার রয়টার্সকে একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব পেয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে জুনে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা এপ্রিলের আগের যুদ্ধবিরতিকে প্রতিস্থাপন করেছিল। কূটনীতি যে এখনো সক্রিয় রয়েছে, তার আরেকটি লক্ষণ হিসেবে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দার মোমেনি মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং ইসলামাবাদকে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে বলেছেন। গত মঙ্গলবার রুবিও বলেছেন, ওয়াশিংটন ‘কূটনীতির প্রতি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’, কিন্তু তেহরান আলোচনার প্রতি সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কিনা, সে বিষয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ম্যানিলায় রুবিও বলেন, “আমাদের এখনকার সমস্যা হলো, তারা আলোচনা নিয়ে আন্তরিক নয়। যদি তারা আন্তরিক হয়, আমরাও আন্তরিক। আর যদি না হয়, তাহলে আমরা আমাদের স্বার্থ এবং আমাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার জন্য যা প্রয়োজন, তাই করব।” তিনি জোর দিয়ে জানান, ইরানকে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া যাবে না। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোসহ সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি বিপজ্জনক নজির সৃষ্টি করবে।