Dhaka ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে কঙ্গোতে ৩৮ জনের মৃত্যু, শতাধিক নিখোঁজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৮৭ Time View

বিদেশ: কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের উত্তর পূর্বাঞ্চলে যাত্রীবাহী একটি ফেরি নদীতে ডুবে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে শতাধিক। যাত্রীদের সবাই বড়দিন উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন।সোমবার স্থানীয় কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। গত সপ্তাহে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নৌকাডুবির ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার ৪ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এবার ফেরিডুবে ৩৮ জনের প্রাণ গেল। শনিবার গভীর রাতে বুসিরা নদীতে এই ফেরিডুবির ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকর্মীরা এখন পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থলের কাছে নদী তীরবর্তী শেষ শহর ইনজেন্দের। শহরের মেয়র জোসেফ কঙ্গোলিঙ্গোলি জানিয়েছেন, ফেরির যাত্রীদের বেশির ভাগই ব্যবসায়ী ছিলেন। বড়দিন উপলক্ষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। ইনজেন্দের বাসিন্দা এনডোলা কাদ্দির জানিয়েছেন, ফেরিটিতে ৪০০-এর বেশি যাত্রী ছিলেন। তবে এই ঘটনা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। উদ্ধার অভিযান সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যায়নি। কঙ্গোর কর্মকর্তারা প্রায়ই নৌকা বা ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই না করার জন্য সতর্ক করে থাকেন। এই ব্যাপারে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সড়কে গণপরিবহন চালানোর সামর্থ্য নেই অনেকের। এর আগে গত অক্টোবরে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কিভু হ্রদে কয়েকশ’ যাত্রীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৭৮ জনের মৃত্যু হয়।

Tag :
About Author Information

যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে কঙ্গোতে ৩৮ জনের মৃত্যু, শতাধিক নিখোঁজ

Update Time : ১১:৪৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বিদেশ: কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের উত্তর পূর্বাঞ্চলে যাত্রীবাহী একটি ফেরি নদীতে ডুবে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে শতাধিক। যাত্রীদের সবাই বড়দিন উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন।সোমবার স্থানীয় কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। গত সপ্তাহে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নৌকাডুবির ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার ৪ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এবার ফেরিডুবে ৩৮ জনের প্রাণ গেল। শনিবার গভীর রাতে বুসিরা নদীতে এই ফেরিডুবির ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকর্মীরা এখন পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থলের কাছে নদী তীরবর্তী শেষ শহর ইনজেন্দের। শহরের মেয়র জোসেফ কঙ্গোলিঙ্গোলি জানিয়েছেন, ফেরির যাত্রীদের বেশির ভাগই ব্যবসায়ী ছিলেন। বড়দিন উপলক্ষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। ইনজেন্দের বাসিন্দা এনডোলা কাদ্দির জানিয়েছেন, ফেরিটিতে ৪০০-এর বেশি যাত্রী ছিলেন। তবে এই ঘটনা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। উদ্ধার অভিযান সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যায়নি। কঙ্গোর কর্মকর্তারা প্রায়ই নৌকা বা ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই না করার জন্য সতর্ক করে থাকেন। এই ব্যাপারে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সড়কে গণপরিবহন চালানোর সামর্থ্য নেই অনেকের। এর আগে গত অক্টোবরে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কিভু হ্রদে কয়েকশ’ যাত্রীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৭৮ জনের মৃত্যু হয়।