1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ গাছ কাটার অভিযোগ, ম্যানেজিং কমিটি নিয়েও প্রশ্ন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন
মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৬৯ নম্বর এসবি কালিকাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনটি গাছ কেটে বিক্রি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়াতেও বিধিবহির্ভূত কার্যক্রমের অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পৃথক দুটি লিখিত আবেদনে অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি  স্থানীয় অভিভাবকদের।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগে তোলা হয়েছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের তিনটি মূল্যবান গাছ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সরকারি বিধি অনুসরণ না করেই কেটে ফেলা হয়। আবেদনকারীদের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গাছ বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ বিদ্যালয়ের সরকারি হিসাব বা উন্নয়ন তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের কাছে কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই। গাছ কাটার আগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও স্থানীয়দের অবহিত করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

গাছ কাটার আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে থাকা গাছগুলোর ছবি এবং গাছগুলোর পূর্ববর্তী ও বর্তমান অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য আবেদনের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। এসব নথি যাচাই করলে গাছ কাটার ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে গত ১৯ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর দেওয়া পৃথক আবেদনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। লিখিত অভিযোগে বলেন, প্রকৃত জমিদাতাদের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক মতামত না নিয়ে প্রধান শিক্ষক নিজে প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এমনকি প্রধান শিক্ষক এককভাবে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের চেষ্টা করছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গাছ কাটার অনুমোদন, গাছের প্রকৃত মূল্য, বিক্রয় অর্থের হিসাব এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াসহ সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থের ক্ষতি হয়ে থাকলে তা উদ্ধারেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির মধ্যে কোন গাছ কাটা হয়নি। ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রোশ বলে দাবি করেন প্রধান শিক্ষিকা।
অভিযোগপত্রের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়, জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd