1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

মোরেলগঞ্জে পানগুছির নদী অব্যাহত ভাঙ্গন হুমকীর মুখে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও স্থাপনা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পানগুছি নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সহ
বিলীন হচ্ছে ফসলী জমি ও হাজার হাজার ঘরবাড়ি। এখনো থেমে নেই ভাঙ্গনের খেলা।
প্রতিনিয়ত ভাংঙ্গনের মুখে নতুন নতুন স্থাপনা ও ফসিল জমি। ভাঙ্গন রোধে
এলাকাবাসীর দাবি স্থায়ী ভেঁড়ি বাধ।
সরজমিনে জানা গেছে, উপজেলার পানগুছি নদীর তীরবর্তী বারইখালী ইউনিয়নে
ফেরিঘাট থেকে বহরবুনিয়ার ফুলহাতা বাজার সহ ঘষিয়াখালী পর্যন— পানগুছি
নদীর ভাঙ্গনে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছে। এখানকার নদীর তীরবর্তী
রাস্তা নদীগর্ভে বার বার বিলীন হয়েছে। আবার মেরামত ও সংস্কার হয়েছে। কিন্তু
কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বাড়িঘর হারিয়ে অনেক পরিবার
অভিবাসিত হয়েছে। সম্প্রতি অতিরিক্ত জোয়ারের বারইখালী ফেরিঘাট হয়ে
ঘষিয়াখালী অভিমুখী সাড়ে ৩ কিলোমিটার ইট সোলিং রাস্তাটি নতুন করে
ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে।
ভুক্তভোগী কামাল শেখ, জালাল শেখ, আলম শেখ, নাজিম মাহমুদ জুয়েল, সংরক্ষিত
ইউপি সদস্য মাসুমা আক্তার, দিন মজুর আকলিমা বেগম সহ একাধিক বাসিন্দা
বলেন, কবে থামবে এ ভাংঙ্গন। নদী গর্ভে বাপ দাদার প্রায় ২ হাজার একর ফসলি জমি
চলে গেছে। কয়েকশ’ পরিবার নিঃস্ব হয়ে পথে প্রানে— ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রতি
বছরই পানির চাপে রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে। চলাচলে দূর্ভোগ পোহাতে হয়
গ্রামবাসীরা। বারইখালী ফেরিঘাট থেকে ঘষিয়াখালী পর্যন— নদীর তীরবর্তী
রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। নদীর ভাঙ্গনে
হুমকীর মুখে রয়েছে ইট সোলিং রাস্তাসহ ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যারয়,
১টি দাখিল মাদ্রাসা ও ৫টি মসজিদ। রাস্তাটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে তুলাতলা,
কাশমীর, বারইখালী, উত্তর সুতালড়ী, এজবি বাজার, ফুলহাতা, ঘসিয়াখালী সহ নদীর
তীরবর্তী মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হবে বলে ইউনিয়নের সাবেক
চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান লাল জানান। তিনি আরো বলেন এখানে স্থায়ী ভেঁড়িবাধ
নির্মান হলে গ্রামবাসীদের এ সমস্যার সমাধান হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, বারইখালী ফেরিঘাট
সংলগ্ন ইট সোলিং রাস্তাটি নতুন করে নির্মানের কোন পরিকল্পনা আপাতত
নেই। তবে ভেঁরিবাধ নির্মানের পরবর্তীতে ফেরিঘাট হয়ে ঘসিয়াখালী অভিমুখী
ইট সোলিং ও কার্পেটিং ২টি রাস্তার প্রস্তাবনা দেওয়া রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd