1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে রুশ প্রেসিডেন্ট

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিতে আজ শুক্রবার ভোরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে। আজ শুক্রবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত জানান ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বাইরে এটি পুতিনের প্রথম সরাসরি ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানা চাপ ও ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নয়াদিল্লিতে বসছে এবারের ব্রিকস সম্মেলন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকট আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হরমুজ প্রণালির অবরোধ।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বাণিজ্য ও শুল্কনীতিও বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এমন এক পরিস্থিতিতে ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর নেতাদের এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার ব্রিকস বিজনেস ফোরামের বার্ষিক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। প্রথাগতভাবে ব্রিকসের মূল শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই ব্যবসায়ী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিকস সদস্যদেশগুলোর ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।

এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন পুতিন। দুই নেতা ইনোপ্রম প্রদর্শনীও পরিদর্শন করবেন। রাশিয়া ও ভারতের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, প্রযুক্তি, ওষুধশিল্প এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

ব্রিকসের মূল শীর্ষ সম্মেলন শুরু হবে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর। ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করবেন ব্রিকস নেতারা।

রাজনীতি ও নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও অর্থায়ন এবং সাংস্কৃতিক ও মানবিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্রিকসের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হবে। পাশাপাশি সমসাময়িক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করবেন নেতারা।

রোববার অনুষ্ঠিত হবে ব্রিকসের সম্প্রসারিত বৈঠক। এতে ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর প্রতিনিধিদলের প্রধানদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধানেরা অংশ নেবেন।

শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কয়েকটি দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন পুতিন। তাদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। রুশ বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে পুতিনের আলাদা পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের কোনো সূচি নেই। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতা অনানুষ্ঠানিকভাবে বা ‘পুল-অ্যাসাইড বৈঠকে’ কথা বলতে পারেন।

এবারের ব্রিকস সম্মেলনে চীন, ইরান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, মিশর, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া ও ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

বিমসটেক সভাপতি হিসেবে ভারত বাংলাদেশকেও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বা সরকারের কাউকে আমন্ত্রণ না জানানোয় ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd