1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

বোমা ও হাইজ্যাক আতঙ্কে পথ বদলে যায় ভারতীয় বিমানের, যা জানা গেল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বিদেশ : জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে হাইজ্যাক ও বোমাতঙ্ক দেখা দেয়। এর জেরে গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সকালে বিমানটি জয়পুরে অবতরণ করতে বাধ্য হয়। সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা জারি করেছিল। খবর এনডিটিভির। বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মডেলের ‘এআই ২০৩০’ ফ্লাইটটি নির্ধারিত গন্তব্য থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরে রাজস্থানের জয়পুর বিমানবন্দরে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে নিরাপদে অবতরণ করে। বিমানটি মাটিতে নামার পর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সেটির কাছে যায় বিমানবন্দরে দায়িত্বশীল নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। আহমেদাবাদ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সূত্র জানিয়েছে, তারা ‘এআই ২০৩০’ ফ্লাইট থেকে ‘স্কোয়াউক কোড ৭৫০০’ সংকেত পেয়েছে, যা সাধারণত বিমান হাইজ্যাকের সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি ফ্লাইটে ‘অযাচিত হস্তক্ষেপের’ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ট্রান্সপন্ডার কোড। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানে থাকা সবাই নিরাপদ আছেন। বিমানটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করার পর যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে নেমে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়। এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, যাত্রীদের বিনামূল্যে ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণের সুযোগ অথবা ফ্লাইট বাতিল হলে সম্পূর্ণ টিকিটের টাকা ফেরত দেয়া হবে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এয়ার ইন্ডিয়া কয়েক ঘণ্টা পর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি আশঙ্কার কারণে’ ফ্লাইটটির গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। যাত্রীদের তল্লাশি করা হয় এবং পরবর্তীতে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের পুনরায় বিমানে উঠতে দেয়া হয়। বিমানটি পরে নিরাপদে দিল্লিতে পৌছায়। এয়ার ইন্ডিয়া বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, ‘যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এয়ার ইন্ডিয়ার টিমগুলো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিঘ্নের কারণে আমাদের যাত্রীদের যে অসুবিধা হয়েছে তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং তাদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ তবে বিমান থেকে কেন ‘হাইজ্যাকের’ সংকেত এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলকে পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য দেয়নি এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। সন্দেহজনক ৫০০ কোটি ডলারের লেনদেনের তথ্য গোপন, ব্যাংক অব আমেরিকার বড় জরিমানা অর্থপাচার ঠেকাতে ব্যর্থতা এবং বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক ব্যাংক অব আমেরিকাকে ১২১ কোটি ডলার বেশি (প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা) জরিমানা করেছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। খবর আল জাজিরা গতকাল মঙ্গলবার ঘোষিত এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইতিহাসে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থদণ্ড বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘এই আকারের একটি ব্যাংক যখন অর্থপাচার প্রতিরোধ ও নিষেধাজ্ঞা পালনে ব্যর্থ হয়, তখন তার পরিণতি শুধু ব্যাংক পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে না। এতে সমগ্র মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা গুরুতর ঝুঁকিতে পড়ে। এই পদক্ষেপের মাধ্যম আমরা বার্তা দিতে চেয়েছি যে, দেশের সর্ববৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’ মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমস এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্ক (ফিনসেন) জানিয়েছে, চীনের অর্থপাচারকারী চক্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অর্থপ্রবাহসহ জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা ও তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাংকটিকে ১২১ কোটি ডলার জরিমানা করা হয়েছে। ফিনসেনের অনুসন্ধানে দেখা যায়, সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ, তথ্য প্রদান এবং গ্রাহক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য যাচাইকরণের প্রক্রিয়ায় গুরুতর ঘাটতি ছিল ব্যাংকটির। এমনকি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ব্যাংকটি স্বপ্রণোদিতভাবে অপরাধ শনাক্তকরণ ও রিপোর্ট করার দায়িত্ব তৃতীয় পক্ষের ওপর ছেড়ে দিয়েছিল। ব্যাংক অব আমেরিকা ফিনসেনের কাছে সময়মতো ৫০০ কোটি ডলারেরও বেশি পরিমাণের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য জমা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে।’ অন্যদিকে, অর্থপাচার ঠেকাতে ত্রুটিপূর্ণ ও অকার্যকর প্রক্রিয়ায় জন্য ব্যাংক অব আমেরিকাকে ৭৫ কোটি ডলার জরিমানা করেছে মার্কিন অফিস অব দ্য কম্পট্রোলার অব দ্য কারেন্সি (ওসিসি)। তবে ফিনসেনের ১২০ কোটি ডলার জরিমানার সঙ্গে ওসিসির এই জরিমানার অর্থ সামঞ্জস্য করা হয়েছে। এ ছাড়া ইরান, রাশিয়া, মাদক ও বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আইন লঙ্ঘনের স্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওফএসি) ব্যাংকটির সঙ্গে ১ কোটি ১৬ লাখ ডলারের একটি সমঝোতা চুক্তি ঘোষণা করেছে। এদিকে বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের ৪৭৫টি অভিযোগ সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে ব্যাংক অব আমেরিকা। একই সঙ্গে কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষা ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ওফএসি’র সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ নিয়ম মেনে চলার অঙ্গীকার করেছে তারা। ব্যাংক অব আমেরিকার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা আমাদের দায়িত্ব। আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় আমরা প্রযুক্তির পেছনে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছি এবং হাজার হাজার কর্মী নিয়োজিত রেখেছি।’

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd