Dhaka ০২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের ১০০ ডলার ছাড়ালো

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ Time View

বিদেশ : ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উদ্বেগের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর বিশ্বজুড়ে শেয়ার ও বন্ডবাজারে পতন দেখা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। এর ফলে—বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে পতন দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও বেড়েছে। ইরান প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দ করার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি টিকবে কিনা—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইউরোজোনের অর্থনীতিতে ইতোমধ্যেই নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জার্মানির বেসরকারি খাত প্রায় এক বছরে প্রথমবার সংকুচিত হয়েছে ও ফ্রান্সের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ১৪ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের অর্থনীতিবিদ ক্রিস উইলিয়ামসন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ইউরোজোনের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলছে এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি না যুদ্ধ, না শান্তি—এমন এক অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। ফলে সামান্য উত্তেজনাও তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে এবং শেয়ারবাজারে নতুন করে ধাক্কা দিতে পারে। সূত্র: রয়টার্স

Tag :
About Author Information

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের ১০০ ডলার ছাড়ালো

Update Time : ১০:১৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বিদেশ : ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উদ্বেগের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর বিশ্বজুড়ে শেয়ার ও বন্ডবাজারে পতন দেখা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। এর ফলে—বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে পতন দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও বেড়েছে। ইরান প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দ করার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি টিকবে কিনা—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইউরোজোনের অর্থনীতিতে ইতোমধ্যেই নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জার্মানির বেসরকারি খাত প্রায় এক বছরে প্রথমবার সংকুচিত হয়েছে ও ফ্রান্সের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ১৪ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের অর্থনীতিবিদ ক্রিস উইলিয়ামসন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ইউরোজোনের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলছে এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি না যুদ্ধ, না শান্তি—এমন এক অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। ফলে সামান্য উত্তেজনাও তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে এবং শেয়ারবাজারে নতুন করে ধাক্কা দিতে পারে। সূত্র: রয়টার্স