Dhaka ০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশি ইন্টারনেট সেবার মূল্য পরিশোধ সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২১২ Time View

বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সেবার মূল্য পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন আর নিতে হবে না। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সরাসরি অর্থ পাঠাতে পারবে। গত রোববার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যান্ডউইথ কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে কিছু নথি যাচাই করে অর্থ ছাড় করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে-উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স, বিদেশি পক্ষের সঙ্গে চুক্তির কপি, বিটিআরসি ও অন্যান্য সংস্থার অনুমোদন, কর কর্তৃপক্ষের সনদ, ইনভয়েস এবং নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী। ব্যাংকগুলোকে এসব নথি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে উপস্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়নবিরোধী নীতিমালা মেনে চলতে হবে। এ ছাড়া বিদেশি আমদানিকারক ও ঠিকাদারের অনুকূলে পারফরম্যান্স বন্ড বা গ্যারান্টি ইস্যুর ক্ষমতাও ব্যাংকগুলোকে সাধারণ অনুমোদনের আওতায় দেওয়া হয়েছে। ফলে স্থানীয় রপ্তানিকারক ও সাব-কন্ট্রাক্টরের পক্ষে গ্যারান্টি দেওয়ার জন্য আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এ সিদ্ধান্তে রপ্তানি বাণিজ্য সহজ হবে, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে সহায়ক হবে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন নির্দেশনার ফলে সময় ও জটিলতা দুটোই কমবে। বিশেষ করে ব্যান্ডউইথ সেবার মূল্য পরিশোধে আর বিলম্ব হবে না, যা আন্তর্জাতিক লেনদেনকে আরও সহজ করবে।

 

Tag :
About Author Information

বিদেশি ইন্টারনেট সেবার মূল্য পরিশোধ সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

Update Time : ০১:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সেবার মূল্য পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন আর নিতে হবে না। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সরাসরি অর্থ পাঠাতে পারবে। গত রোববার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যান্ডউইথ কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে কিছু নথি যাচাই করে অর্থ ছাড় করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে-উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স, বিদেশি পক্ষের সঙ্গে চুক্তির কপি, বিটিআরসি ও অন্যান্য সংস্থার অনুমোদন, কর কর্তৃপক্ষের সনদ, ইনভয়েস এবং নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী। ব্যাংকগুলোকে এসব নথি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে উপস্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়নবিরোধী নীতিমালা মেনে চলতে হবে। এ ছাড়া বিদেশি আমদানিকারক ও ঠিকাদারের অনুকূলে পারফরম্যান্স বন্ড বা গ্যারান্টি ইস্যুর ক্ষমতাও ব্যাংকগুলোকে সাধারণ অনুমোদনের আওতায় দেওয়া হয়েছে। ফলে স্থানীয় রপ্তানিকারক ও সাব-কন্ট্রাক্টরের পক্ষে গ্যারান্টি দেওয়ার জন্য আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এ সিদ্ধান্তে রপ্তানি বাণিজ্য সহজ হবে, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে সহায়ক হবে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন নির্দেশনার ফলে সময় ও জটিলতা দুটোই কমবে। বিশেষ করে ব্যান্ডউইথ সেবার মূল্য পরিশোধে আর বিলম্ব হবে না, যা আন্তর্জাতিক লেনদেনকে আরও সহজ করবে।