Dhaka ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যা ও শীতল লাভা প্রবাহে ইন্দোনেশিয়ায় নিহত বেড়ে ৪১

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪
  • ৩২৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও শীতল লাভা প্রবাহের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, শনিবার রাতের প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে সুমাত্রা দ্বীপের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মারাপিতের ছাই ও বড় বড় পাথর ভেসে গিয়ে আরও ১৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন। পশ্চিম সুমাত্রা দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার কর্মকর্তা ইলহাম ওয়াহাব এএফপিকে বলেছেন, ‘আগাম জেলায় তিনজন ও তানাহ দাতারে ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। এ দুটি স্থানই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ পুলিশ, সেনা ও স্থানীয় উদ্ধারকারী স্কোয়াডসহ প্রায় ৪০০ জনকে নিখোঁজদের সন্ধানে মোতায়েন করা হয়েছে। আর এতে অন্তত আটটি এক্সকেভেটর ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে মারাপিতে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। শীতল লাভা হলো ছ্ইা, বালি এবং নুড়ির মতো আগ্নেয়গিরির উপাদান। আগ্নেযগিরির এ উপাদানগুলো বৃষ্টির পানিতে ঢাল বেয়ে নিচে নেমে যায়। বৃষ্টি রাস্তাঘাটকে কর্দমাক্ত নদীতে পরিণত করেছে। তা ছাড়া বৃষ্টিতে যানবাহন ভেসে গেছে এবং বাড়িঘর ও অন্যান্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া বর্ষাকালে ভ‚মিধস ও বন্যার ঝুঁকিতে থাকে। ২০২২ সালে, সুমাত্রায় বন্যায় প্রায় ২৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। দুটি শিশু নিহত হয়েছিল। সূত্র : আলজাজিরা

Tag :
About Author Information

বন্যা ও শীতল লাভা প্রবাহে ইন্দোনেশিয়ায় নিহত বেড়ে ৪১

Update Time : ১২:০২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও শীতল লাভা প্রবাহের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, শনিবার রাতের প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে সুমাত্রা দ্বীপের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মারাপিতের ছাই ও বড় বড় পাথর ভেসে গিয়ে আরও ১৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন। পশ্চিম সুমাত্রা দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার কর্মকর্তা ইলহাম ওয়াহাব এএফপিকে বলেছেন, ‘আগাম জেলায় তিনজন ও তানাহ দাতারে ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। এ দুটি স্থানই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ পুলিশ, সেনা ও স্থানীয় উদ্ধারকারী স্কোয়াডসহ প্রায় ৪০০ জনকে নিখোঁজদের সন্ধানে মোতায়েন করা হয়েছে। আর এতে অন্তত আটটি এক্সকেভেটর ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে মারাপিতে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। শীতল লাভা হলো ছ্ইা, বালি এবং নুড়ির মতো আগ্নেয়গিরির উপাদান। আগ্নেযগিরির এ উপাদানগুলো বৃষ্টির পানিতে ঢাল বেয়ে নিচে নেমে যায়। বৃষ্টি রাস্তাঘাটকে কর্দমাক্ত নদীতে পরিণত করেছে। তা ছাড়া বৃষ্টিতে যানবাহন ভেসে গেছে এবং বাড়িঘর ও অন্যান্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া বর্ষাকালে ভ‚মিধস ও বন্যার ঝুঁকিতে থাকে। ২০২২ সালে, সুমাত্রায় বন্যায় প্রায় ২৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। দুটি শিশু নিহত হয়েছিল। সূত্র : আলজাজিরা