Dhaka ০৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে এক ট্রলারে ধরা পড়লো ১৯৫ মণ ইলিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৫৮ Time View

বঙ্গোপসাগর থেকে ১৯৫ মণ ইলিশ মাছ নিয়ে পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি মাছ ধরা ট্রলার। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস নামে একটি আড়তে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায়। মাছগুলো মঙ্গলবার ও বুধবার কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার দূরের গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে। জানা গেছে, এফবি বিসমিল্লাহ-১ নামে মাছ ধরা ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছগুলো ধরা পড়েছে। মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি আকারে আলাদা করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে। ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, ‘রবিবার আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কক্সবাজার সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ ধরা পড়েছে না। এর মধ্যেও মহান আল্লাহ মাছ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ। এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

Tag :
About Author Information

বঙ্গোপসাগরে এক ট্রলারে ধরা পড়লো ১৯৫ মণ ইলিশ

Update Time : ১২:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

বঙ্গোপসাগর থেকে ১৯৫ মণ ইলিশ মাছ নিয়ে পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি মাছ ধরা ট্রলার। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস নামে একটি আড়তে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায়। মাছগুলো মঙ্গলবার ও বুধবার কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার দূরের গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে। জানা গেছে, এফবি বিসমিল্লাহ-১ নামে মাছ ধরা ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছগুলো ধরা পড়েছে। মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি আকারে আলাদা করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে। ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, ‘রবিবার আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কক্সবাজার সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ ধরা পড়েছে না। এর মধ্যেও মহান আল্লাহ মাছ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ। এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।