Dhaka ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে চান নতুন উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪
  • ২৬৭ Time View

প্রাথমিক শিক্ষার মানের উন্নয়ন করতে চান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়। সোমবার সচিবালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। বিধান রঞ্জন রায় বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা যেকোনো দেশের জাতির জন্য ভিতস্বরূপ। বাচ্চারা প্রথম জীবনে যা পড়ে, তা কিন্তু ব্যক্তিত্বের ভিত গড়ে দেয়। খুব দুঃখজনক হলো, আমাদের দেশে বাস্তবে কিন্তু এর এতটা কার্যকারিতা দেখা যায় না, যেমনটা করা উচিত, তেমনটা করা হয় না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, একসময় আমাদের সাক্ষরতার হার খুব কম ছিল। একদিক দিয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, আমাদের অবকাঠামোগত অনেক উন্নতি হয়েছে। ফলে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের যেটা প্রয়োজন, সেটা হলো মানের উন্নয়ন করা, প্রাথমিক শিক্ষার মানের উন্নয়ন করা। যেন আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে এবং তারা অবদান রাখতে পারে। তিনি বলেন, আমি প্রথম এসেছি, সবার সঙ্গে বসব, তারপর আমরা কর্মকৌশল ঠিক করব। এ সময় সাংবাদিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে এখন একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আর বাচ্চারা খুব ছোট। অস্থিরতা না কমে যদি সমস্যাগুলো থাকে, তাহলে তো মানুষজন বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহবোধ করে না। ঘোষণা দিলেই তো হয় না বিষয়টা। সেজন্যই বিষয়টি ঠিক করে আমরা জানাব।

Tag :
About Author Information

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে চান নতুন উপদেষ্টা

Update Time : ১২:৪১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪

প্রাথমিক শিক্ষার মানের উন্নয়ন করতে চান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়। সোমবার সচিবালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। বিধান রঞ্জন রায় বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা যেকোনো দেশের জাতির জন্য ভিতস্বরূপ। বাচ্চারা প্রথম জীবনে যা পড়ে, তা কিন্তু ব্যক্তিত্বের ভিত গড়ে দেয়। খুব দুঃখজনক হলো, আমাদের দেশে বাস্তবে কিন্তু এর এতটা কার্যকারিতা দেখা যায় না, যেমনটা করা উচিত, তেমনটা করা হয় না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, একসময় আমাদের সাক্ষরতার হার খুব কম ছিল। একদিক দিয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, আমাদের অবকাঠামোগত অনেক উন্নতি হয়েছে। ফলে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের যেটা প্রয়োজন, সেটা হলো মানের উন্নয়ন করা, প্রাথমিক শিক্ষার মানের উন্নয়ন করা। যেন আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে এবং তারা অবদান রাখতে পারে। তিনি বলেন, আমি প্রথম এসেছি, সবার সঙ্গে বসব, তারপর আমরা কর্মকৌশল ঠিক করব। এ সময় সাংবাদিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে এখন একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আর বাচ্চারা খুব ছোট। অস্থিরতা না কমে যদি সমস্যাগুলো থাকে, তাহলে তো মানুষজন বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহবোধ করে না। ঘোষণা দিলেই তো হয় না বিষয়টা। সেজন্যই বিষয়টি ঠিক করে আমরা জানাব।