Dhaka ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু রোহিঙ্গা শিবিরে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪
  • ৩৪০ Time View

প্রবল বর্ষণের কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার চারটি রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয়। বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উখিয়ার বালুখালীর ৮ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের মো. আনোয়ারের ছেলে মো. হারেজ (৫), ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসরত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাটের আলী জহুরের ছেলে মো. হোসেন আহম্মেদ (৫০), একই শিবিরের রোহিঙ্গা আলী জোহারের মেয়ে আনোয়ারা বেগম (১৮), জামালের ছেলে মো. সালমান (৩), ১০ নম্বর বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের আবুল কালাম (৫৭), মতির রহমানের মেয়ে সলিমা খাতুন (৪২), আবুল কালামের ছেলে আবু মেহের (২৪), শরিফ হোসেনের মেয়ে জানু বিবি (১৯) ও থাইংখালীর ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের শাহা আলমের ছেলে আবদুল করিম (১২)। কক্সবাজার অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসু দ্দৌজা জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে উখিয়ার চারটি রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে আটজন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় বাসিন্দা মারা গেছেন।

 

Tag :
About Author Information

পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু রোহিঙ্গা শিবিরে

Update Time : ১২:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

প্রবল বর্ষণের কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার চারটি রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয়। বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উখিয়ার বালুখালীর ৮ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের মো. আনোয়ারের ছেলে মো. হারেজ (৫), ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসরত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাটের আলী জহুরের ছেলে মো. হোসেন আহম্মেদ (৫০), একই শিবিরের রোহিঙ্গা আলী জোহারের মেয়ে আনোয়ারা বেগম (১৮), জামালের ছেলে মো. সালমান (৩), ১০ নম্বর বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের আবুল কালাম (৫৭), মতির রহমানের মেয়ে সলিমা খাতুন (৪২), আবুল কালামের ছেলে আবু মেহের (২৪), শরিফ হোসেনের মেয়ে জানু বিবি (১৯) ও থাইংখালীর ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের শাহা আলমের ছেলে আবদুল করিম (১২)। কক্সবাজার অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসু দ্দৌজা জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে উখিয়ার চারটি রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে আটজন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় বাসিন্দা মারা গেছেন।