Dhaka ০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাচার অর্থের সন্ধানে নতুন পদক্ষেপ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২১০ Time View

দেশের ব্যাংক খাত থেকে পাচার হওয়া ১৭ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের সন্ধানে বিশ্বের বড় তিনটি অডিট ফার্মকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফার্মগুলো হলো- ইওয়াই, কেপিএমজি ও ডেলয়েট। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠরা এই অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর লন্ডনভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন। গভর্নর বলেন, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে চায় বাংলাদেশ। লোপাট হওয়া অর্থ দিয়ে কেনা সম্পদের হদিস ও পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ১১টি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে চরম খারাপ অবস্থায় পড়া ব্যাংকগুলোর বড় ঋণ ধরে ধরে তথ্য যাচাই করছে আন্তর্জাতিক অডিট ফার্ম। ব্যাংকগুলোর পরিচালনায় যুক্তদের ঋণ এবং বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য যাচাই হচ্ছে। এভাবে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে সম্পদের তথ্য যাচাই (একিউআর) করে মূলধনের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা বের করবে আন্তর্জাতিক এসব ফার্ম। প্রাথমিক পর্যায়ে এসআইবিএল, গ্লোবাল ইসলামী, আইসিবি ইসলামিক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও এঙ্মি ব্যাংকের ওপর কাজ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পর্ষদ পুনর্গঠন হওয়া অন্য পাঁচ ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই হবে।

Tag :
About Author Information

পাচার অর্থের সন্ধানে নতুন পদক্ষেপ

Update Time : ০১:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

দেশের ব্যাংক খাত থেকে পাচার হওয়া ১৭ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের সন্ধানে বিশ্বের বড় তিনটি অডিট ফার্মকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফার্মগুলো হলো- ইওয়াই, কেপিএমজি ও ডেলয়েট। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠরা এই অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর লন্ডনভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন। গভর্নর বলেন, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে চায় বাংলাদেশ। লোপাট হওয়া অর্থ দিয়ে কেনা সম্পদের হদিস ও পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ১১টি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে চরম খারাপ অবস্থায় পড়া ব্যাংকগুলোর বড় ঋণ ধরে ধরে তথ্য যাচাই করছে আন্তর্জাতিক অডিট ফার্ম। ব্যাংকগুলোর পরিচালনায় যুক্তদের ঋণ এবং বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য যাচাই হচ্ছে। এভাবে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে সম্পদের তথ্য যাচাই (একিউআর) করে মূলধনের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা বের করবে আন্তর্জাতিক এসব ফার্ম। প্রাথমিক পর্যায়ে এসআইবিএল, গ্লোবাল ইসলামী, আইসিবি ইসলামিক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও এঙ্মি ব্যাংকের ওপর কাজ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পর্ষদ পুনর্গঠন হওয়া অন্য পাঁচ ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই হবে।