1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে জুতা দিয়ে পেটানোর অভিযোগ, তদন্ত সম্পন্ন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে জুতা দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে অপর এক শিক্ষকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি গত ১৫ জুলাই স্কুল চলাকালে ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা, খড়িয়া বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ জুলাই ক্লাস চলাকালে পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বরের ছেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর খাতায় দাগ দেয়। এ নিয়ে দুই শিশুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে সিরাজুল ইসলামের ছেলে পাল্টা রত্নেশ্বরের ছেলের জামায় কলম দিয়ে দাগ দেয়। পরে রত্নেশ্বরের ছেলে বিষয়টি তার মাকে জানায়।

অভিযোগে বলা হয়, শ্রেণি শিক্ষকের ওয়াশরুমে যাওয়ার সুযোগে রত্নেশ্বরের স্ত্রী শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে পায়ের জুতা খুলে সিরাজুল ইসলামের ছেলেকে মারধর করেন। এতে শিশুটি আহত হয়। সিরাজুল ইসলাম আরো অভিযোগ করেন সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বরের প্রভাব খাটিয়ে প্রতিদিন তার ছেলেকে প্রথম বেঞ্চে বসান তার স্ত্রী। তার স্ত্রীর দূর্বব্যবহার অতিষ্ঠ অন্য অভিভাবকরা। ঘটনার পর সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২২ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ চারজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে তদন্ত করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান লিটু জানান, তদন্তকালে অভিযুক্ত নারী শিক্ষার্থীকে জুতা দিয়ে আঘাত করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে। একজন অভিভাবকের এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

এদিকে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার পর সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বর জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়ে গেছে। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার ক্ষমা করবেন কি শাস্তির আওতায় আনবেন সেটি তিনি জানেন। ঘটনার পর শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, সেদিকে সবার নজর রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd