Dhaka ০৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাইকগাছায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে মরা গাছ যেন মরণ ফাঁদ 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪
  • ২৯৮ Time View
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় বিভিন্ন  প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে রয়েছে সারি সারি মরা রেইনট্রি গাছ। গাছগুলো শুকিয়ে গেছে অনেক আগে। এ রকম মরা গাছের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন এসব গাছ অপসারণ না করায় মাঝেমধ্যেই সড়কের ওপর ডালপালা ভেঙে পড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।
শুকনো গাছের ডাল ও কাঠ ভেঙে পড়ে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সামান্য বাতাস কিংবা ঝড়-বৃষ্টি হলেই আহত হচ্ছেন পথচারী ও স্থানীয় মানুষজন। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পথচারী ও যানবাহন। শুকনো গাছগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের যথাযথ হস্তক্ষেপ না থাকায় এখন তা সৃষ্টি হয়েছে মরণ ফাঁদে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানোর পরেও শুকনা গাছগুলো কেটে নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে তাদের।
সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে এলজিডিও রোর্ডস  এণ্ড হাইওয়ে  উপজেলার সোলাদানা,লস্কর, চাদখালীসহ বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে রেইন্ট্রি গাছ রোপণ করেন।  ৫-৭ বছর আগে  গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর দুই ধারে থাকা রেইন্ট্রি গাছগুলো শুকিয়ে যায়। হরিঢালী ইউনিয়ানের বিভিন্ন সড়কে শিরিস, রেইনট্রি ও মেহগনি কাছ রোপন করা হয়।তার মধ্যে প্রায় ২শত গাছ মরে গেছে। সমাজিক বনায়ন করেছে প্রায়৫ শত জন সুবিধাভূগী।
উপজেলার প্রতাপকাটি সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থী  ও পথচারীর উপর যে কোনো সময় ঘটতে পারে  বড় ধরণের দূর্ঘটনা।গাছের নিচে ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তারের উপর পড়তে পারে গাছের শুকনো  ডাল তাতে বড় ধরণের দূর্ঘটনাও ঘটতে পারে।পানি উন্নন বোর্ডের অফিস চত্তরে ৩০-৩২ টি শুকনা দাড়িয়ে আছে।ঝড়ে ডাল ভেঙ্গে পড়ে দূর্ঘটনা ঘটছে।
পাইকগাছা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রুবেল হোসেন বলেন, কলেজে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন সড়কে যাতায়াত করতে হয়। তবে সড়কের দুই পাশের  শুকনো গাছের ডাল ভেঙে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভ্যানচালক, অন্যান্য যানবাহন ও যাত্রীরা। তাই কলেজে যাওয়া-আসার পথে সব সময় মনে ভয় কাজ করে, ডাল ভেঙে বড় কোনো দুর্ঘটনায় পড়ি কিনা।
Tag :
About Author Information

পাইকগাছায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে মরা গাছ যেন মরণ ফাঁদ 

Update Time : ০৫:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় বিভিন্ন  প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে রয়েছে সারি সারি মরা রেইনট্রি গাছ। গাছগুলো শুকিয়ে গেছে অনেক আগে। এ রকম মরা গাছের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন এসব গাছ অপসারণ না করায় মাঝেমধ্যেই সড়কের ওপর ডালপালা ভেঙে পড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।
শুকনো গাছের ডাল ও কাঠ ভেঙে পড়ে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সামান্য বাতাস কিংবা ঝড়-বৃষ্টি হলেই আহত হচ্ছেন পথচারী ও স্থানীয় মানুষজন। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পথচারী ও যানবাহন। শুকনো গাছগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের যথাযথ হস্তক্ষেপ না থাকায় এখন তা সৃষ্টি হয়েছে মরণ ফাঁদে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানোর পরেও শুকনা গাছগুলো কেটে নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে তাদের।
সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে এলজিডিও রোর্ডস  এণ্ড হাইওয়ে  উপজেলার সোলাদানা,লস্কর, চাদখালীসহ বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে রেইন্ট্রি গাছ রোপণ করেন।  ৫-৭ বছর আগে  গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর দুই ধারে থাকা রেইন্ট্রি গাছগুলো শুকিয়ে যায়। হরিঢালী ইউনিয়ানের বিভিন্ন সড়কে শিরিস, রেইনট্রি ও মেহগনি কাছ রোপন করা হয়।তার মধ্যে প্রায় ২শত গাছ মরে গেছে। সমাজিক বনায়ন করেছে প্রায়৫ শত জন সুবিধাভূগী।
উপজেলার প্রতাপকাটি সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থী  ও পথচারীর উপর যে কোনো সময় ঘটতে পারে  বড় ধরণের দূর্ঘটনা।গাছের নিচে ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তারের উপর পড়তে পারে গাছের শুকনো  ডাল তাতে বড় ধরণের দূর্ঘটনাও ঘটতে পারে।পানি উন্নন বোর্ডের অফিস চত্তরে ৩০-৩২ টি শুকনা দাড়িয়ে আছে।ঝড়ে ডাল ভেঙ্গে পড়ে দূর্ঘটনা ঘটছে।
পাইকগাছা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রুবেল হোসেন বলেন, কলেজে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন সড়কে যাতায়াত করতে হয়। তবে সড়কের দুই পাশের  শুকনো গাছের ডাল ভেঙে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভ্যানচালক, অন্যান্য যানবাহন ও যাত্রীরা। তাই কলেজে যাওয়া-আসার পথে সব সময় মনে ভয় কাজ করে, ডাল ভেঙে বড় কোনো দুর্ঘটনায় পড়ি কিনা।