Dhaka ১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাইকগাছায় ঝড়ো বাতাসে বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারের ধান মাটিতে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২০ Time View

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় ঝড়ো বাতাসে  বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে ক্ষেতের আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিছু দিন আগে মোন্থার বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে আধা পাকা ধান মাটিতে পড়ে, ধানের কুশি ভরা ফুল ঝরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় বীজ উৎপাদনে লক্ষ্য মাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংখা করছে খামার কতৃপক্ষ।

গত ৩১অক্টোবর শুক্রবার ঝড়ে খামারের ৫৫ একর জমির লাগানো ক্ষেতের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে আধা পাকা ধান,ধানের কুশি ভরা ফুল ঝরে, মাটিতে নুয়ে পড়া ধান পানিতে ডুবে থাকায় চিটা ও ধানের কালো কালো দাগ পড়ার সম্ভাবনা খুব বেশি রয়েছে।
খামার সূত্রে জানাগেছে, ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে খামারে ৫৫ একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রিধান ৩০ জাতের ১০ একর, ব্রিধান ৫২ জাতের ১০ একর, ব্রিধান ৮৭ জাতের ১৫ একর ও বি আর ২৩ জাতের ২০ একর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। খামারে বিভিন্ন জাতের প্রায় ১০ একর জমির ধান ঝড়ো বাতাসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে খামার কর্তৃপক্ষ জানান, খামারে আমন ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় মোন্থার প্রভাবে চলতি মৌসুমে আমন ক্ষেতের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় ঝড়ো হাওয়ায় ফুল ঝরে যাওয়ায় পরাগায়ন না হলে ধান চিটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। ধানের গুনগত মান নষ্ট হলে এতে আশানারুপ বীজ উৎপাদন হবে না বলে আশঙ্কা রয়েছে। তবে ধান কেটে ঝাড়াই করার পর পরীক্ষা করলে সেটা জানা যাবে।

Tag :
About Author Information

পাইকগাছায় ঝড়ো বাতাসে বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারের ধান মাটিতে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি

Update Time : ১২:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় ঝড়ো বাতাসে  বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে ক্ষেতের আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিছু দিন আগে মোন্থার বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে আধা পাকা ধান মাটিতে পড়ে, ধানের কুশি ভরা ফুল ঝরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় বীজ উৎপাদনে লক্ষ্য মাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংখা করছে খামার কতৃপক্ষ।

গত ৩১অক্টোবর শুক্রবার ঝড়ে খামারের ৫৫ একর জমির লাগানো ক্ষেতের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে আধা পাকা ধান,ধানের কুশি ভরা ফুল ঝরে, মাটিতে নুয়ে পড়া ধান পানিতে ডুবে থাকায় চিটা ও ধানের কালো কালো দাগ পড়ার সম্ভাবনা খুব বেশি রয়েছে।
খামার সূত্রে জানাগেছে, ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে খামারে ৫৫ একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রিধান ৩০ জাতের ১০ একর, ব্রিধান ৫২ জাতের ১০ একর, ব্রিধান ৮৭ জাতের ১৫ একর ও বি আর ২৩ জাতের ২০ একর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। খামারে বিভিন্ন জাতের প্রায় ১০ একর জমির ধান ঝড়ো বাতাসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে খামার কর্তৃপক্ষ জানান, খামারে আমন ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় মোন্থার প্রভাবে চলতি মৌসুমে আমন ক্ষেতের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় ঝড়ো হাওয়ায় ফুল ঝরে যাওয়ায় পরাগায়ন না হলে ধান চিটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। ধানের গুনগত মান নষ্ট হলে এতে আশানারুপ বীজ উৎপাদন হবে না বলে আশঙ্কা রয়েছে। তবে ধান কেটে ঝাড়াই করার পর পরীক্ষা করলে সেটা জানা যাবে।