Dhaka ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

না ফেরার দেশে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার বাবা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৯ Time View

বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার বাবা সুনীল মালহোত্রা মারা গেছেন। কয়েক দিন আগে দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবর পেয়ে স্ত্রী কিয়ারা আদভানিকে সঙ্গে নিয়ে মুম্বাই থেকে দিল্লি ছুটে যান অভিনেতা। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শেষকৃত্য সম্পন্ন হলেও সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা আরও কয়েক দিন দিল্লিতেই থাকবেন। বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন সিদ্ধার্থ। তিনি লিখেন, “তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ, নৈতিকতাসম্পন্ন ও সংস্কৃতিমনা একজন মানুষ। এমন মূল্যবোধ নিয়ে জীবন কাটিয়েছেন, যা কখনো টলেনি। কঠোরতা নয়, ছিল শৃঙ্খলা; অহংকার নয়, ছিল শক্তি। জীবন যতবার কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে, ততবার ইতিবাচক থেকেছেন তিনি।” বাবার পেশাগত জীবন ও সাহসিকতার কথা স্মরণ করে অভিনেতা বলেন, “একজন মার্চেন্ট নেভি ক্যাপ্টেন হিসেবে সমুদ্রকে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত-সবকিছুই সাহস আর মর্যাদার সঙ্গে সামলেছেন। স্ট্রোকের পর যখন হুইল চেয়ারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন, তখনো তার মনোবল অটুট ও অম্লান ছিল।” বাবার মৃত্যুতে তৈরি হওয়া শূন্যতার কথা উল্লেখ করে সিদ্ধার্থ বলেন, “বাবা, তোমার সততাই আমার উত্তরাধিকার। তুমি ঘুমের মধ্যেই শান্তিতে আমাদের ছেড়ে চলে গেলে। কিন্তু তোমার রেখে যাওয়া শূন্যতা অপরিমেয়।” বাবার প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, চিরকাল বাবার নাম, মূল্যবোধ আর আলো বহন করে এগিয়ে যাবেন।

Tag :
About Author Information

না ফেরার দেশে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার বাবা

Update Time : ০৬:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার বাবা সুনীল মালহোত্রা মারা গেছেন। কয়েক দিন আগে দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবর পেয়ে স্ত্রী কিয়ারা আদভানিকে সঙ্গে নিয়ে মুম্বাই থেকে দিল্লি ছুটে যান অভিনেতা। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শেষকৃত্য সম্পন্ন হলেও সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা আরও কয়েক দিন দিল্লিতেই থাকবেন। বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন সিদ্ধার্থ। তিনি লিখেন, “তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ, নৈতিকতাসম্পন্ন ও সংস্কৃতিমনা একজন মানুষ। এমন মূল্যবোধ নিয়ে জীবন কাটিয়েছেন, যা কখনো টলেনি। কঠোরতা নয়, ছিল শৃঙ্খলা; অহংকার নয়, ছিল শক্তি। জীবন যতবার কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে, ততবার ইতিবাচক থেকেছেন তিনি।” বাবার পেশাগত জীবন ও সাহসিকতার কথা স্মরণ করে অভিনেতা বলেন, “একজন মার্চেন্ট নেভি ক্যাপ্টেন হিসেবে সমুদ্রকে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত-সবকিছুই সাহস আর মর্যাদার সঙ্গে সামলেছেন। স্ট্রোকের পর যখন হুইল চেয়ারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন, তখনো তার মনোবল অটুট ও অম্লান ছিল।” বাবার মৃত্যুতে তৈরি হওয়া শূন্যতার কথা উল্লেখ করে সিদ্ধার্থ বলেন, “বাবা, তোমার সততাই আমার উত্তরাধিকার। তুমি ঘুমের মধ্যেই শান্তিতে আমাদের ছেড়ে চলে গেলে। কিন্তু তোমার রেখে যাওয়া শূন্যতা অপরিমেয়।” বাবার প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, চিরকাল বাবার নাম, মূল্যবোধ আর আলো বহন করে এগিয়ে যাবেন।