Dhaka ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেল নিতেই কাটছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ২৪ Time View

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকায় যেগুলো খোলা রয়েছে, সেগুলোর সামনে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন, ফলে দৈনন্দিন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাত থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে চালকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। অনেকেই সামান্য তেলের আশায় রাতভর পাম্পের সামনে অবস্থান করেন। রোববার (২৯ মার্চ) সকালেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। উল্টো অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও রাইড শেয়ারিং কর্মীরা। মিরপুর থেকে আসা এক চালক বলেন, “রাত দুইটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন সকাল ১০টা বাজে, পাম্প থেকে বলছে তেল শেষ। আজ কামাই-রুজি সব বন্ধ।”

জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে গণপরিবহনেও। রাস্তায় বাসের সংখ্যা অন্যদিনের তুলনায় কম থাকায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। এ সুযোগে সিএনজি ও রিকশা চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া দাবির অভিযোগও উঠেছে।

পণ্য পরিবহন সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত এই সংকট সমাধান না হলে নিত্যপণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে বাজারে দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক বেসরকারি চাকরিজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সকাল থেকে তেল নিতেই সময় চলে যাচ্ছে। দিনের অর্ধেক সময় যদি পাম্পেই কাটে, তাহলে কাজ করবো কখন?”

Tag :
About Author Information

তেল নিতেই কাটছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা

Update Time : ১২:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকায় যেগুলো খোলা রয়েছে, সেগুলোর সামনে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন, ফলে দৈনন্দিন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাত থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে চালকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। অনেকেই সামান্য তেলের আশায় রাতভর পাম্পের সামনে অবস্থান করেন। রোববার (২৯ মার্চ) সকালেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। উল্টো অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও রাইড শেয়ারিং কর্মীরা। মিরপুর থেকে আসা এক চালক বলেন, “রাত দুইটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন সকাল ১০টা বাজে, পাম্প থেকে বলছে তেল শেষ। আজ কামাই-রুজি সব বন্ধ।”

জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে গণপরিবহনেও। রাস্তায় বাসের সংখ্যা অন্যদিনের তুলনায় কম থাকায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। এ সুযোগে সিএনজি ও রিকশা চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া দাবির অভিযোগও উঠেছে।

পণ্য পরিবহন সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত এই সংকট সমাধান না হলে নিত্যপণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে বাজারে দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক বেসরকারি চাকরিজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সকাল থেকে তেল নিতেই সময় চলে যাচ্ছে। দিনের অর্ধেক সময় যদি পাম্পেই কাটে, তাহলে কাজ করবো কখন?”