Dhaka ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিম্মি ৩৮ নারী ও শিশু টেকনাফের পাহাড় থেকে উদ্ধার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৬৮ Time View

বিভিন্ন দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ার গহিন পাহাড়ে জিম্মি করে রাখা নারী-শিশুসহ ৩৮ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ দল।

কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। পাচারের জন্য নারী, শিশুসহ কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল-এমন খবর পেয়ে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় আস্তানা থেকে ১৮ জন নারী, ১২ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় ২ পাচারকারীকে।”

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানিয়েছেন, মানব পাচারসহ যে কোনো অবৈধ কার্যকলাপ রোধে কোস্টগার্ড এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে।

পাচারকারীরা মুক্তিপণ আদায় এবং পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের বন্দি রেখে নির্যাতন করছিল-ভোক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানায়।

উল্লেখ্য, ২ অক্টোবর বাহারছড়া ইউনিয়নের করাচিপাড়া ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে ২১ জন নারী ও শিশুকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। ১ অক্টোবর বাহারছড়ার জুম্মাপাড়া পাহাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে আটজন নারী ও শিশুকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে একই এলাকার পাহাড় থেকে তিন দালালসহ তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর কচ্ছপিয়া এলাকার পাহাড় থেকে পাঁচ অপহৃতকে উদ্ধার এবং দুই মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়। এর আগের দিন র‍্যাব ও বিজিবি অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ তিন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার ও ৮৪ জনকে উদ্ধার করে। ১৮ সেপ্টেম্বর কোস্টগার্ড ৬৬ জনকে উদ্ধার করে। ১৬ সেপ্টেম্বর বিজিবি ১২ পাচারকারীকে আটক ও ১১ জনকে উদ্ধার করে।

Tag :
About Author Information

জিম্মি ৩৮ নারী ও শিশু টেকনাফের পাহাড় থেকে উদ্ধার

Update Time : ১২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

বিভিন্ন দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ার গহিন পাহাড়ে জিম্মি করে রাখা নারী-শিশুসহ ৩৮ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ দল।

কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। পাচারের জন্য নারী, শিশুসহ কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল-এমন খবর পেয়ে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় আস্তানা থেকে ১৮ জন নারী, ১২ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় ২ পাচারকারীকে।”

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানিয়েছেন, মানব পাচারসহ যে কোনো অবৈধ কার্যকলাপ রোধে কোস্টগার্ড এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে।

পাচারকারীরা মুক্তিপণ আদায় এবং পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের বন্দি রেখে নির্যাতন করছিল-ভোক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানায়।

উল্লেখ্য, ২ অক্টোবর বাহারছড়া ইউনিয়নের করাচিপাড়া ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে ২১ জন নারী ও শিশুকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। ১ অক্টোবর বাহারছড়ার জুম্মাপাড়া পাহাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে আটজন নারী ও শিশুকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে একই এলাকার পাহাড় থেকে তিন দালালসহ তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর কচ্ছপিয়া এলাকার পাহাড় থেকে পাঁচ অপহৃতকে উদ্ধার এবং দুই মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়। এর আগের দিন র‍্যাব ও বিজিবি অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ তিন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার ও ৮৪ জনকে উদ্ধার করে। ১৮ সেপ্টেম্বর কোস্টগার্ড ৬৬ জনকে উদ্ধার করে। ১৬ সেপ্টেম্বর বিজিবি ১২ পাচারকারীকে আটক ও ১১ জনকে উদ্ধার করে।