Dhaka ০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জার্মান নাগরিকের সমুদ্রের নিচে ১২০ দিন অবস্থান করে বিশ্ব রেকর্ড

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৬ Time View

বিদেশ : একজন জার্মান নাগরিক পানামা উপকূলে সমুদ্রের নিচে ১২০ দিন অবস্থান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন, খবর এএফপি’র। জার্মান নাগরিক মহাকাশ ইঞ্জিনিয়ার রুডিগার কোচ, ৫৯, গত শুক্রবার তার সমুদ্রের নিচের ৩০ মিটারের ক্যাপসুল (বাসা) থেকে বের হয়ে আসেন। এসময় সেখানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের বিচারক সুজানা রেয়েস উপস্থিত ছিলেন। সুজানা এটা নিশ্চিত করেছেন যে, রুডিগার কোচ আমেরিকান জোসেফ দিতুরির রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেছেন। জোসেফ দিতুরি এর আগে ফ্লোরিডার লেকে পানির নিচে একটি লজে ১০০ দিন পার করেছিলেন। সমুদ্রের নিচে ৩৬ ফুট গভীরে অবস্থিত ক্যাপসুল থেকে বের হয়ে কোচ এএফপিকে বলেছেন, এটা ছিল একটা দু:সাহসিক কাজ, যা শেষ হয়েছে। এটা দারুন, যেখানে সবকিছু শান্ত এবং অন্ধকারময়। সমুদ্র যেখানে জ্বলজ্বল করে। পোর্টহোলের মাধ্যমে সমুদ্রের ভিউ সম্পর্কে রুডগার কোচ এএফপিকে এমনটা বলেছেন। কোচ বলেন, এই অভিজ্ঞতার বর্নণা দেওয়া অসম্ভব। আপনাকে নিজ থেকে এই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। কোচের ক্যাপসুলে (বাসা) একটা বেড, একটা টয়লেট, টিভি, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সুবিধা ছিল। এমনকি ছিল একটা শরীর চর্চা সাইকেলও। এএফপি’র সাংবাদিককে জার্মান মহাকাশ ইঞ্জিনিয়ার রুডিগার কোচ বলেন, মানুষের জীবনের ব্যাপারে আমরা যেমনটা ভাবি এই অভিযানের ফলে সেসব ভাবনার পরিবর্তন ঘটবে। কোথায় আমরা বসতি গড়তে পারি, তারও। আমার এই অভিযান এটা প্রমাণ করছে যে সমুদ্রগুলোর পরিবেশ মানব সভ্যতার বর্ধিতকরণে যথার্থ।

Tag :
About Author Information

জার্মান নাগরিকের সমুদ্রের নিচে ১২০ দিন অবস্থান করে বিশ্ব রেকর্ড

Update Time : ০১:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

বিদেশ : একজন জার্মান নাগরিক পানামা উপকূলে সমুদ্রের নিচে ১২০ দিন অবস্থান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন, খবর এএফপি’র। জার্মান নাগরিক মহাকাশ ইঞ্জিনিয়ার রুডিগার কোচ, ৫৯, গত শুক্রবার তার সমুদ্রের নিচের ৩০ মিটারের ক্যাপসুল (বাসা) থেকে বের হয়ে আসেন। এসময় সেখানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের বিচারক সুজানা রেয়েস উপস্থিত ছিলেন। সুজানা এটা নিশ্চিত করেছেন যে, রুডিগার কোচ আমেরিকান জোসেফ দিতুরির রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেছেন। জোসেফ দিতুরি এর আগে ফ্লোরিডার লেকে পানির নিচে একটি লজে ১০০ দিন পার করেছিলেন। সমুদ্রের নিচে ৩৬ ফুট গভীরে অবস্থিত ক্যাপসুল থেকে বের হয়ে কোচ এএফপিকে বলেছেন, এটা ছিল একটা দু:সাহসিক কাজ, যা শেষ হয়েছে। এটা দারুন, যেখানে সবকিছু শান্ত এবং অন্ধকারময়। সমুদ্র যেখানে জ্বলজ্বল করে। পোর্টহোলের মাধ্যমে সমুদ্রের ভিউ সম্পর্কে রুডগার কোচ এএফপিকে এমনটা বলেছেন। কোচ বলেন, এই অভিজ্ঞতার বর্নণা দেওয়া অসম্ভব। আপনাকে নিজ থেকে এই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। কোচের ক্যাপসুলে (বাসা) একটা বেড, একটা টয়লেট, টিভি, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সুবিধা ছিল। এমনকি ছিল একটা শরীর চর্চা সাইকেলও। এএফপি’র সাংবাদিককে জার্মান মহাকাশ ইঞ্জিনিয়ার রুডিগার কোচ বলেন, মানুষের জীবনের ব্যাপারে আমরা যেমনটা ভাবি এই অভিযানের ফলে সেসব ভাবনার পরিবর্তন ঘটবে। কোথায় আমরা বসতি গড়তে পারি, তারও। আমার এই অভিযান এটা প্রমাণ করছে যে সমুদ্রগুলোর পরিবেশ মানব সভ্যতার বর্ধিতকরণে যথার্থ।