Dhaka ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার ব্যপারে আশাবাদী ফখর জামান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৬১ Time View

ঘরের মাঠে আগামী ১৯ ফেব্রæয়ারি থেকে শুরু হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ব্যপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী মনোভাব পোষন করেছেন ফখর জামান। পাকিস্তান ও দুবাইয়ে আগামী মাসে বহুল প্রতিক্ষীত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৩৪ বছর বয়সী ফখর বলেছেন, ‘অবশ্যই শতভাগ নিশ্চিত, আমি আবারো পাকিস্তানের হয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছি। সত্যি বলতে কি অনেকেই বিষয়টি জানেনা, টি২০ বিশ্বকাপের পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। শারিরীক অসুস্থতার কারনে ঐ সময় আমি অতটা ফিট ছিলাম না। সে কারণে দলের অংশ হতে পারিনি। কিন্তু এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ। সবাই আমাকে সাদা-বলে পাকিস্তানের পরবর্তী সিরিজে দলে দেখতে পাবে। পাকিস্তানের হয়ে সাদা-বলের দলে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন ফখর। কিন্তু গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপের পর এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কোন ম্যাচে অংশ নেননি। বিশ্বকাপের গ্রæপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় পাকিস্তান। ফখর সর্বশেষ ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। কিন্তু ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনি জাতীয় দলে ফিরতে আশাবাদী। ২০১৭ সালে ফখর জামানের ম্যাচ জয়ী ১১৪ রানের ইনিংসে লন্ডনের দ্য ওভালে ফাইনালে ভারতকে ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। ফখর বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে ঘিড়ে। অস্ট্রেলিয়া কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে আমি খেলতে পারিনি। সে কারনে আমি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দিকে পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েছি। যেকোন মূল্যে এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য নিজেকে ফিট করে তুলেছি। সঠিক সময়ে সুস্থ হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে আমি শুরু করেছিলাম। ঐ আসরটা আমার জন্য স্মরণীয় হয়ে আছে। এখন আমি পরবর্তী টুর্নামেন্ট খেলতে মুখিয়ে আছি। আমি নির্বাচক, প্রধান কোচ ও যারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আমাকে দলে দেখতে চায় তাদের সকলের সাথে কথা বলেছি।’ ফখরের অনুপস্থিতিতে পাকিস্তান দলে নিজেকে নিয়মিত করে তুলেছেন ২২ বছর বয়সী ওপেনার সাইম আইয়ুব। ওয়ানডেতে আইয়ুবের দুর্দান্ত ক্যারিয়ার শুরুর প্রশংসা করেছেন ফখর। ইতোমধ্যেই ওয়ানডেতে নয় ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফ সেঞ্চুরি করেছের আইয়ুব। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে সেঞ্চুরি। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপ টাউন টেস্টের প্রথম দিন গোঁড়ালির ইনজুরিতে পড়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তার খেলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফখর বলেন, ‘আইয়ুবের দ্রæত ফিরে আসার ব্যপারে আমি আশাবাদী। সে একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়। আগামী চার থেকে পাঁচ বছর সে যদি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে তবে শীর্ষে উঠতে খুব বেশী সময় লাগবে না। বিশ্বের তিনজন সেরা খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে আইয়ুব নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। পাকিস্তানে বিশ্বের সেরা তিন খেলোয়াড় রয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ানের পরে আমি সাইম আইয়ুবকে রাখতে চাই। দলে একজন ওপেনার হিসেবে জায়গা ধরে রাখতে না পারলেও এই দলের অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’ এই মুহূর্তে ওয়ানডে দলে ওপেনার হিসেবে ফখরের জায়গা পাওয়া বেশ কঠিন। আইয়ুব, বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ইতোমধ্যেই শীর্ষ তিনটি স্থান দখল করে আছেন।

Tag :
About Author Information

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার ব্যপারে আশাবাদী ফখর জামান

Update Time : ০৬:১৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

ঘরের মাঠে আগামী ১৯ ফেব্রæয়ারি থেকে শুরু হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ব্যপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী মনোভাব পোষন করেছেন ফখর জামান। পাকিস্তান ও দুবাইয়ে আগামী মাসে বহুল প্রতিক্ষীত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৩৪ বছর বয়সী ফখর বলেছেন, ‘অবশ্যই শতভাগ নিশ্চিত, আমি আবারো পাকিস্তানের হয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছি। সত্যি বলতে কি অনেকেই বিষয়টি জানেনা, টি২০ বিশ্বকাপের পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। শারিরীক অসুস্থতার কারনে ঐ সময় আমি অতটা ফিট ছিলাম না। সে কারণে দলের অংশ হতে পারিনি। কিন্তু এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ। সবাই আমাকে সাদা-বলে পাকিস্তানের পরবর্তী সিরিজে দলে দেখতে পাবে। পাকিস্তানের হয়ে সাদা-বলের দলে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন ফখর। কিন্তু গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপের পর এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কোন ম্যাচে অংশ নেননি। বিশ্বকাপের গ্রæপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় পাকিস্তান। ফখর সর্বশেষ ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। কিন্তু ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনি জাতীয় দলে ফিরতে আশাবাদী। ২০১৭ সালে ফখর জামানের ম্যাচ জয়ী ১১৪ রানের ইনিংসে লন্ডনের দ্য ওভালে ফাইনালে ভারতকে ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। ফখর বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে ঘিড়ে। অস্ট্রেলিয়া কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে আমি খেলতে পারিনি। সে কারনে আমি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দিকে পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েছি। যেকোন মূল্যে এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য নিজেকে ফিট করে তুলেছি। সঠিক সময়ে সুস্থ হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে আমি শুরু করেছিলাম। ঐ আসরটা আমার জন্য স্মরণীয় হয়ে আছে। এখন আমি পরবর্তী টুর্নামেন্ট খেলতে মুখিয়ে আছি। আমি নির্বাচক, প্রধান কোচ ও যারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আমাকে দলে দেখতে চায় তাদের সকলের সাথে কথা বলেছি।’ ফখরের অনুপস্থিতিতে পাকিস্তান দলে নিজেকে নিয়মিত করে তুলেছেন ২২ বছর বয়সী ওপেনার সাইম আইয়ুব। ওয়ানডেতে আইয়ুবের দুর্দান্ত ক্যারিয়ার শুরুর প্রশংসা করেছেন ফখর। ইতোমধ্যেই ওয়ানডেতে নয় ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফ সেঞ্চুরি করেছের আইয়ুব। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে সেঞ্চুরি। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপ টাউন টেস্টের প্রথম দিন গোঁড়ালির ইনজুরিতে পড়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তার খেলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফখর বলেন, ‘আইয়ুবের দ্রæত ফিরে আসার ব্যপারে আমি আশাবাদী। সে একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়। আগামী চার থেকে পাঁচ বছর সে যদি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে তবে শীর্ষে উঠতে খুব বেশী সময় লাগবে না। বিশ্বের তিনজন সেরা খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে আইয়ুব নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। পাকিস্তানে বিশ্বের সেরা তিন খেলোয়াড় রয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ানের পরে আমি সাইম আইয়ুবকে রাখতে চাই। দলে একজন ওপেনার হিসেবে জায়গা ধরে রাখতে না পারলেও এই দলের অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’ এই মুহূর্তে ওয়ানডে দলে ওপেনার হিসেবে ফখরের জায়গা পাওয়া বেশ কঠিন। আইয়ুব, বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ইতোমধ্যেই শীর্ষ তিনটি স্থান দখল করে আছেন।