Dhaka ০৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিটাগং কিংস ঘরের মাঠে জয় পেলো

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭৫ Time View

চিটাগং কিংস তাদের ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে পেল রোমাঞ্চকর জয়। গ্রাহাম ক্লার্কের সেঞ্চুরির পর বোলারদের সৌজন্যে সহজ জয় নিশ্চিত হয় কিংসদের। খুলনা টাইগার্সকে ৪৫ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থ জয় পেয়েছে চিটাগং কিংস। ফরচুন বরিশালকে সরিয়ে জায়গা করে নিল সেরা দুইয়ে। চিটাগং কিংসের জার্সিতে সাগরিকার পুরো গ্যালারি ভরে গিয়েছিল সমর্থকদের, হোম ক্রাউডকে জয় উপহার দিতে ভুল করেনি মোহাম্মদ মিঠুনের দল। গ্রাহাম ক্লার্কের সেঞ্চুরির দিনে ঘরের ছেলে পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট থেকে আসে ৩৯ রানের ক্যামিও। শেষদিকে কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও ২০০ রানের সংগ্রহ আসে চিটাগং কিংসের স্কোরবোর্ডে। ২০১ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে খুলনা টাইগার্স ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তে থামে। দারউইশ রাসুলি সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন। বিপিএল অভিষেক ম্যাচে খুলনার ইংলিশ ওপেনার ডমিনিক পিটার সিবলি ৮ বল খেলে করতে পারেন কেবল ৩ রান। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখের ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ৯। তিনে নামা অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ঝড়ো ব্যাটিং অবশ্য টেকেনি বেশিক্ষণ। ৮ বল খেলা মিরাজ প্যাভিলিয়নে যান ১৯ রান নিয়ে। মাঝে আফিফ হোসেন ধ্রæব ব্যক্তিগত ২০ রানে উইকেট হারালে মোহাম্মদ নওয়াজ ২৫, মাহিদুল ইসলাম অংকন ১২ বলে ১৮ রান করে দলের হারের ব্যবধান কমান। চট্টগ্রামের হয়ে আরাফাত সানি উইকেট দখলে নেন সর্বোচ্চ ৩টি। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন। চিটাগং কিংসের টানা চার জয়ের দিনে চার পরাজয়ের স্বাদ পেল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

Tag :
About Author Information

চিটাগং কিংস ঘরের মাঠে জয় পেলো

Update Time : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

চিটাগং কিংস তাদের ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে পেল রোমাঞ্চকর জয়। গ্রাহাম ক্লার্কের সেঞ্চুরির পর বোলারদের সৌজন্যে সহজ জয় নিশ্চিত হয় কিংসদের। খুলনা টাইগার্সকে ৪৫ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থ জয় পেয়েছে চিটাগং কিংস। ফরচুন বরিশালকে সরিয়ে জায়গা করে নিল সেরা দুইয়ে। চিটাগং কিংসের জার্সিতে সাগরিকার পুরো গ্যালারি ভরে গিয়েছিল সমর্থকদের, হোম ক্রাউডকে জয় উপহার দিতে ভুল করেনি মোহাম্মদ মিঠুনের দল। গ্রাহাম ক্লার্কের সেঞ্চুরির দিনে ঘরের ছেলে পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট থেকে আসে ৩৯ রানের ক্যামিও। শেষদিকে কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও ২০০ রানের সংগ্রহ আসে চিটাগং কিংসের স্কোরবোর্ডে। ২০১ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে খুলনা টাইগার্স ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তে থামে। দারউইশ রাসুলি সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন। বিপিএল অভিষেক ম্যাচে খুলনার ইংলিশ ওপেনার ডমিনিক পিটার সিবলি ৮ বল খেলে করতে পারেন কেবল ৩ রান। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখের ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ৯। তিনে নামা অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ঝড়ো ব্যাটিং অবশ্য টেকেনি বেশিক্ষণ। ৮ বল খেলা মিরাজ প্যাভিলিয়নে যান ১৯ রান নিয়ে। মাঝে আফিফ হোসেন ধ্রæব ব্যক্তিগত ২০ রানে উইকেট হারালে মোহাম্মদ নওয়াজ ২৫, মাহিদুল ইসলাম অংকন ১২ বলে ১৮ রান করে দলের হারের ব্যবধান কমান। চট্টগ্রামের হয়ে আরাফাত সানি উইকেট দখলে নেন সর্বোচ্চ ৩টি। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন। চিটাগং কিংসের টানা চার জয়ের দিনে চার পরাজয়ের স্বাদ পেল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।