Dhaka ০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলে গেলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ‘দা কিং’

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৫:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭১ Time View

স্পোর্টস: শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ে হার মেনেছেন ডেনিস ল। ৮৪ বছর বয়সে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার। লয়ের মৃত্যুর কথা গতকাল শনিবার নিশ্চিত করে তার পরিবার। ২০২১ সাল থেকে অ্যালজেইমার রোগে ভুগছিলেন তিনি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ১১ বছর কাটানো ল পরিচিত ছিলেন ‘দা কিং’ নামে। কারো কারো কাছে তিনি ছিলেন ‘দা লম্যান’। ইউনাইটেডের জার্সিতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪০৪ ম্যাচে ২৩৭ গোলে করেন তিনি। ইংলিশ ক্লাবটির ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল দুইজনের, ওয়েইন রুনি ও ববি চার্ল্টনের। প্রিমিয়ার লিগের সফলতম ক্লাব ইউনাইটেডের হয়ে ১৯৬৪-৬৫ ও ১৯৬৬-৬৭ সালে লিগ শিরোপা ও ১৯৬৮ সালে ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছিলেন ল। এর আগে একটি এফএ কাপ জয়ের স্বাদও পান তিনি। স্কটল্যান্ডের সাবেক এই ফুটবলারের পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয় ইংল্যান্ডের ক্লাব হাডার্সফিল্ড টাউনের হয়ে। ম্যানচেস্টার সিটি ও ইতালির তোরিনোয় খেলে ইউনাইটেডে যোগ দেন ল। স্কটল্যান্ডের হয়ে ৫৫ ম্যাচ খেলে ৩০ গোল করেন ল। দেশটির হয়ে যৌথভাবে যা সর্বোচ্চ। তার একটি অনন্য কীর্তিও আছে; ব্যালন দ’র জেতা একমাত্র স্কটিশ খেলোয়াড় তিনি, ১৯৬৪ সালে। নিজের ক্যারিয়ারে তিন দফায় ব্রিটিশ রেকর্ড ফিতে বিক্রি হয়েছিলেন ল।

Tag :
About Author Information

চলে গেলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ‘দা কিং’

Update Time : ০১:২৫:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

স্পোর্টস: শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ে হার মেনেছেন ডেনিস ল। ৮৪ বছর বয়সে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার। লয়ের মৃত্যুর কথা গতকাল শনিবার নিশ্চিত করে তার পরিবার। ২০২১ সাল থেকে অ্যালজেইমার রোগে ভুগছিলেন তিনি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ১১ বছর কাটানো ল পরিচিত ছিলেন ‘দা কিং’ নামে। কারো কারো কাছে তিনি ছিলেন ‘দা লম্যান’। ইউনাইটেডের জার্সিতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪০৪ ম্যাচে ২৩৭ গোলে করেন তিনি। ইংলিশ ক্লাবটির ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল দুইজনের, ওয়েইন রুনি ও ববি চার্ল্টনের। প্রিমিয়ার লিগের সফলতম ক্লাব ইউনাইটেডের হয়ে ১৯৬৪-৬৫ ও ১৯৬৬-৬৭ সালে লিগ শিরোপা ও ১৯৬৮ সালে ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছিলেন ল। এর আগে একটি এফএ কাপ জয়ের স্বাদও পান তিনি। স্কটল্যান্ডের সাবেক এই ফুটবলারের পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয় ইংল্যান্ডের ক্লাব হাডার্সফিল্ড টাউনের হয়ে। ম্যানচেস্টার সিটি ও ইতালির তোরিনোয় খেলে ইউনাইটেডে যোগ দেন ল। স্কটল্যান্ডের হয়ে ৫৫ ম্যাচ খেলে ৩০ গোল করেন ল। দেশটির হয়ে যৌথভাবে যা সর্বোচ্চ। তার একটি অনন্য কীর্তিও আছে; ব্যালন দ’র জেতা একমাত্র স্কটিশ খেলোয়াড় তিনি, ১৯৬৪ সালে। নিজের ক্যারিয়ারে তিন দফায় ব্রিটিশ রেকর্ড ফিতে বিক্রি হয়েছিলেন ল।