Dhaka ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজে মন ফেরাতে করনীয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২২৩ Time View

কাজে ভীষণ অনীহা কাজ করছে? চাকরি জীবন খুবই যন্ত্রণাদায়ক হয়ে যাচ্ছে। ছেড়ে দিলেই বাঁচবেন। যতই প্রয়োজন হোক অনেকেই এমন কাজ করেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের জীবনে নানা সমস্যা নেমে আসে। চাকরিহীন জীবনে আরও বিষাদ ফিরে আসে। কাজে অনীহা থেকে কাজে মনোযোগ ফেরানোর কোনো উপায় আছে কি? অবশ্যই আছে। শুধু এই কটি বিষয় একটু খেয়াল করুন:

প্রথমে ভেবে দেখুন কি কি কারণে এমন অনীহা কাজ করছে। কারণ শনাক্ত করে কাউন্সেলিং এর সাহায্য নিন। বাড়িতে অসুস্থ কেউ থাকলে কাজে মন বসে না। সেজন্য ছুটির দরখাস্ত করুন এবং অফিসে বিষয়টি বোঝান। কাজ হওয়ার কথা। নাহয় পরিচিত কাউকে দায়িত্ব দিন। দীর্ঘদিন কেউ অসুস্থ থাকলে একজন দেখভালের লোক নিতে পারেন। স্ট্রেস থাকলে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের কোনো ক্লাসে ভর্তি হতে পারেন। কাজের চাপ মাত্রাতিরিক্ত হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করুন। পরিস্থিতি তাকে বোঝান এবং আপনার সক্ষমতার জায়গাগুলো নিশ্চিত করুন। ওয়ার্কলোড এবং কাজের সামঞ্জস্য না পেলে স্কিলস ট্রেনিং প্রোগ্রামের সদ্ব্যবহার করুন। ভালো কাজ করার পর প্রশংসা না পেলে হতাশ না হয়ে নিজের কাজ স্বাভাবিকভাবে করুন এবং ভালো করার চেষ্টা করুন। অফিসেই সব কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন। অফিস বাসায় নিয়ে আসবেন না। মানসিক অবসাদ কাজ করলে অবসাদ দূর করার পথ খুঁজুন। চাকরিকেই অবসাদের কারণ হিসেবে দেখবেন না। অফিসে কোনো কলিগের সঙ্গে বাজে সম্পর্ক হলে যতদূর সম্ভব তা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনার চেষ্টা করুন। সপ্তাহান্তে নিজেকে সময় দিলে আলস্যের মাধ্যমে তা পার করবেন না। বই পড়া, ঘুরাঘুরি করতে পারেন। একেক সপ্তাহে একেক পরিকল্পনা করুন। কিছুটা বৈচিত্র্য আনুন। প্রতিদিন একই রুটিন মেনে চলবেন না। আপনার যতটুকু সময়ই অফিসের বাইরে আছে তার সদ্ব্যবহার করুন।

Tag :
About Author Information

কাজে মন ফেরাতে করনীয়

Update Time : ১২:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

কাজে ভীষণ অনীহা কাজ করছে? চাকরি জীবন খুবই যন্ত্রণাদায়ক হয়ে যাচ্ছে। ছেড়ে দিলেই বাঁচবেন। যতই প্রয়োজন হোক অনেকেই এমন কাজ করেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের জীবনে নানা সমস্যা নেমে আসে। চাকরিহীন জীবনে আরও বিষাদ ফিরে আসে। কাজে অনীহা থেকে কাজে মনোযোগ ফেরানোর কোনো উপায় আছে কি? অবশ্যই আছে। শুধু এই কটি বিষয় একটু খেয়াল করুন:

প্রথমে ভেবে দেখুন কি কি কারণে এমন অনীহা কাজ করছে। কারণ শনাক্ত করে কাউন্সেলিং এর সাহায্য নিন। বাড়িতে অসুস্থ কেউ থাকলে কাজে মন বসে না। সেজন্য ছুটির দরখাস্ত করুন এবং অফিসে বিষয়টি বোঝান। কাজ হওয়ার কথা। নাহয় পরিচিত কাউকে দায়িত্ব দিন। দীর্ঘদিন কেউ অসুস্থ থাকলে একজন দেখভালের লোক নিতে পারেন। স্ট্রেস থাকলে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের কোনো ক্লাসে ভর্তি হতে পারেন। কাজের চাপ মাত্রাতিরিক্ত হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করুন। পরিস্থিতি তাকে বোঝান এবং আপনার সক্ষমতার জায়গাগুলো নিশ্চিত করুন। ওয়ার্কলোড এবং কাজের সামঞ্জস্য না পেলে স্কিলস ট্রেনিং প্রোগ্রামের সদ্ব্যবহার করুন। ভালো কাজ করার পর প্রশংসা না পেলে হতাশ না হয়ে নিজের কাজ স্বাভাবিকভাবে করুন এবং ভালো করার চেষ্টা করুন। অফিসেই সব কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন। অফিস বাসায় নিয়ে আসবেন না। মানসিক অবসাদ কাজ করলে অবসাদ দূর করার পথ খুঁজুন। চাকরিকেই অবসাদের কারণ হিসেবে দেখবেন না। অফিসে কোনো কলিগের সঙ্গে বাজে সম্পর্ক হলে যতদূর সম্ভব তা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনার চেষ্টা করুন। সপ্তাহান্তে নিজেকে সময় দিলে আলস্যের মাধ্যমে তা পার করবেন না। বই পড়া, ঘুরাঘুরি করতে পারেন। একেক সপ্তাহে একেক পরিকল্পনা করুন। কিছুটা বৈচিত্র্য আনুন। প্রতিদিন একই রুটিন মেনে চলবেন না। আপনার যতটুকু সময়ই অফিসের বাইরে আছে তার সদ্ব্যবহার করুন।