Dhaka ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কপিলমুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর,অবশেষে পা ধরে ক্ষমা চাইলেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২০৮ Time View

এক যুবদল নেতা। কপিলমুনি (খুলনা) অফিসঃ কপিলমুনিতে এক মাদ্রাসার শিক্ষকের মারপিট করে অবশেষে শত শত লোকের সামনে আহত শিক্ষকের
পা ধরে ক্ষমা চেয়ে রেহায় পেলেন উপজেলা যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিশ্বাস। ক্ষমা চাইতে গেলে
বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে খবর পেয়ে কপিলমুনি ফাঁড়ি পুলিশ এসে উদ্ধার করে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে কপিলমুনি আহলে সুফ্ধসঢ়;ফাহ ইসলামিক
ক্যাডেট একাডেমির সামনে প্রধান সড়কের উপর ঘটনাটি ঘটে। এর আগে রবিবার (১৬
ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উক্ত যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিশ্বাস তার দুজন সহযোগী বাক্কার ও
সিরাজুল কে সাথে নিয়ে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পাঠদানরতবস্থায়
নিরীহ শিক্ষক আল মামুনকে অতর্কিত কিল, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে হামলা করে। এ সময় ক্লাসের ৭/৮
বছরের ৩০ জন শিশু শ্রেণিকক্ষে ভয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ও অন্য
শিক্ষকরা এসে আক্তারকে নিবৃত করে। উক্ত প্রতিষ্ঠানে আসা মহিলা অভিভাবকদের সাথেও
অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আক্তার হোসেন বিশ্বাস। মারপিট করে তার সাথে থাকা ২ জন
সহযোগীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে । এ ঘটনায় এলাকাবাসী,
শিক্ষক মন্ডলী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। জনরোষ এড়াতে উক্ত যুবদল নেতা
আক্তার হোসেন বিশ্বাস প্রকাশ্যে শত শত লোকের সামনে তার বেআইনি কাজের জন্য শিক্ষক আল
মামুনের পায়ে ধরে ক্ষমা চান। অপার এক সহযোগী ও আশ্রয়দাতা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। । এদিকে
শিক্ষক আল মামুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য একজন মহিলা দোকানীর
আইডি হ্যাক হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই মহিলার দোকানের কর্মচারী রেজাকপুর গ্রামের শহর
বিশ্বাস এর ছেলে যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিশ্বাস সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে ওই নির্দোষ
শিক্ষককে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। স্থানীয় জানান আক্তার হোসেন বিশ্বাসের নামে আরো
অনেক অভিযোগ রয়েছে।

Tag :
About Author Information

কপিলমুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর,অবশেষে পা ধরে ক্ষমা চাইলেন

Update Time : ১০:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

এক যুবদল নেতা। কপিলমুনি (খুলনা) অফিসঃ কপিলমুনিতে এক মাদ্রাসার শিক্ষকের মারপিট করে অবশেষে শত শত লোকের সামনে আহত শিক্ষকের
পা ধরে ক্ষমা চেয়ে রেহায় পেলেন উপজেলা যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিশ্বাস। ক্ষমা চাইতে গেলে
বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে খবর পেয়ে কপিলমুনি ফাঁড়ি পুলিশ এসে উদ্ধার করে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে কপিলমুনি আহলে সুফ্ধসঢ়;ফাহ ইসলামিক
ক্যাডেট একাডেমির সামনে প্রধান সড়কের উপর ঘটনাটি ঘটে। এর আগে রবিবার (১৬
ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উক্ত যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিশ্বাস তার দুজন সহযোগী বাক্কার ও
সিরাজুল কে সাথে নিয়ে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পাঠদানরতবস্থায়
নিরীহ শিক্ষক আল মামুনকে অতর্কিত কিল, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে হামলা করে। এ সময় ক্লাসের ৭/৮
বছরের ৩০ জন শিশু শ্রেণিকক্ষে ভয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ও অন্য
শিক্ষকরা এসে আক্তারকে নিবৃত করে। উক্ত প্রতিষ্ঠানে আসা মহিলা অভিভাবকদের সাথেও
অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আক্তার হোসেন বিশ্বাস। মারপিট করে তার সাথে থাকা ২ জন
সহযোগীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে । এ ঘটনায় এলাকাবাসী,
শিক্ষক মন্ডলী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। জনরোষ এড়াতে উক্ত যুবদল নেতা
আক্তার হোসেন বিশ্বাস প্রকাশ্যে শত শত লোকের সামনে তার বেআইনি কাজের জন্য শিক্ষক আল
মামুনের পায়ে ধরে ক্ষমা চান। অপার এক সহযোগী ও আশ্রয়দাতা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। । এদিকে
শিক্ষক আল মামুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য একজন মহিলা দোকানীর
আইডি হ্যাক হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই মহিলার দোকানের কর্মচারী রেজাকপুর গ্রামের শহর
বিশ্বাস এর ছেলে যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিশ্বাস সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে ওই নির্দোষ
শিক্ষককে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। স্থানীয় জানান আক্তার হোসেন বিশ্বাসের নামে আরো
অনেক অভিযোগ রয়েছে।