Dhaka ১০:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানি র‌্যাপারের মৃত্যুদন্ড সরকারের সমালোচনায়

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪
  • ২৯৬ Time View

বিনোদন: ইরান সরকারের সমালোচনা করে গান করায় জনপ্রিয় র‌্যাপার তোমাজ সালেহির মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি র‌্যাপার তোমাজ সালেহির আইনজীবী আমির রেসিয়ান জানিয়েছেন, ফাঁসির আদেশ জারি করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপক্ষের কেউ এই মৃত্যুদন্ড নিয়ে মুখ খোলেননি। জানা যায়, দুই বছর আগে ২২ বছর বয়সী ইরানি কুর্দি তরুণী মাসা আমিনিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি পুলিশের হেফাজতে মারা যান। কিন্তু এ ঘটনায় কেন পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হবে, সেটা নিয়ে সোচ্চার হয় দেশটির অনেক মানুষ। দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নামেন। ইরানজুড়ে যখন আন্দোলন হচ্ছিল, তখন ৩৩ বছর বয়সী তোমাজ সালেহি দেশের দুর্নীতি, শাসনব্যবস্থা, সরকারের নানা রকম সমালোচনা করে গান করেন। এমন ঘটনায় তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তারও হন। বিভিন্ন সময় তাকে হুমকিও দেওয়া হয়। কিন্তু গান দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া থেকে থামেননি তিনি। তার গান ছিল ইরানে পরিবর্তন চাওয়া মানুষের মুখে। এই ঘটনায় সমালোচনা করেছে ‘দ্য রেকর্ডিং একাডেমি’। তারা গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কোনো শিল্পী যখন শৈল্পিক কোনো কিছু নিজেদের মতো করে প্রকাশ করেন, তখন সেটা জীবনের জন্য ভয় বা হুমকির কারণ হতে পারে না। সব সময়ই সংগীত ভাব প্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম। এই শিল্পীদের সুরক্ষায় আমরা আগেও কাজ করেছি। এখন আমরা তাদের পাশে আছি।’ ইরানের পুলিশ ২০২২ সালে সালেহিকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিকভাবে তাকে ছয় বছর তিন মাসের জেল দেওয়া হয়। পরে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট থেকে তিনি জামিনে বের হন। পরবর্তী সময়ে কিছুদিন পরেই তিনি আবার গ্রেপ্তার হন।

Tag :
About Author Information

ইরানি র‌্যাপারের মৃত্যুদন্ড সরকারের সমালোচনায়

Update Time : ১১:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

বিনোদন: ইরান সরকারের সমালোচনা করে গান করায় জনপ্রিয় র‌্যাপার তোমাজ সালেহির মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি র‌্যাপার তোমাজ সালেহির আইনজীবী আমির রেসিয়ান জানিয়েছেন, ফাঁসির আদেশ জারি করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপক্ষের কেউ এই মৃত্যুদন্ড নিয়ে মুখ খোলেননি। জানা যায়, দুই বছর আগে ২২ বছর বয়সী ইরানি কুর্দি তরুণী মাসা আমিনিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি পুলিশের হেফাজতে মারা যান। কিন্তু এ ঘটনায় কেন পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হবে, সেটা নিয়ে সোচ্চার হয় দেশটির অনেক মানুষ। দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নামেন। ইরানজুড়ে যখন আন্দোলন হচ্ছিল, তখন ৩৩ বছর বয়সী তোমাজ সালেহি দেশের দুর্নীতি, শাসনব্যবস্থা, সরকারের নানা রকম সমালোচনা করে গান করেন। এমন ঘটনায় তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তারও হন। বিভিন্ন সময় তাকে হুমকিও দেওয়া হয়। কিন্তু গান দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া থেকে থামেননি তিনি। তার গান ছিল ইরানে পরিবর্তন চাওয়া মানুষের মুখে। এই ঘটনায় সমালোচনা করেছে ‘দ্য রেকর্ডিং একাডেমি’। তারা গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কোনো শিল্পী যখন শৈল্পিক কোনো কিছু নিজেদের মতো করে প্রকাশ করেন, তখন সেটা জীবনের জন্য ভয় বা হুমকির কারণ হতে পারে না। সব সময়ই সংগীত ভাব প্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম। এই শিল্পীদের সুরক্ষায় আমরা আগেও কাজ করেছি। এখন আমরা তাদের পাশে আছি।’ ইরানের পুলিশ ২০২২ সালে সালেহিকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিকভাবে তাকে ছয় বছর তিন মাসের জেল দেওয়া হয়। পরে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট থেকে তিনি জামিনে বের হন। পরবর্তী সময়ে কিছুদিন পরেই তিনি আবার গ্রেপ্তার হন।