Dhaka ০৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ার ৭৯ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৬৯ Time View

চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মুখে ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়ার ৭৯টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সোমবার সকাল থেকে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও বাড়তি নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন রয়েছে শিল্পপুলিশ, সেনা, র‌্যাব ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ ও কারখানা সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার দুপুর পর্যন্ত এই এলাকার অনন্ত, শারমীন, হামীম, স্টারলিং গ্রুপসহ ৬৮টি কারখানাতে ছুটি বহাল ছিল। যেসব কারখানা খোলা ছিল তার মধ্যে ১৩টি কারখানার শ্রমিকরা গতকাল সোমবার কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যায়। এ ছাড়া খোলা থাকলেও শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে কারখানার ভেতরে বিশৃঙ্খলা করছে এমন কারখানার সংখ্যা অন্তত ৮টি। এগুলো হলো, মন্ডল নিটওয়্যার, ন্যাচারাল ডেনিম, নিট কম্পোজিট, রেডিয়েন্স জিনস, রেডিয়েন্স ফ্যাশন, গার্মেন্টস এক্সপোর্ট ভিলেজ, ব্রেভো অ্যাপারেলস লিমিটেড, প্রিন্স জ্যাকার্ড সোয়েটার লিমিটেড। শ্রমিকরা বলেন, গত রোববার রাতে মালিকপক্ষ গতকাল সোমবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কারখানার সামনে নোটিশ টাঙিয়ে দেয়। এর মধ্যে কিছু কারখানাকে সকালে নোটিশ দিতে দেখা গেছে। শ্রমিকরা কারখানায় গিয়ে বন্ধের নোটিশ পেয়ে কারখানা থেকে ফিরে আসে। তবে সকালে শিমুলতলা এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে, যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গত রোববার সন্ধ্যায় জামগড়ার শিমুলতলা এলাকায় বেঙ্গল গ্রæপের ইউফোরিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কারখানার স্টাফ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শ্রমিকসহ কমপক্ষে ৩০ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে র‌্যাবের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করে বিক্ষুব্ধরা। আশুলিয়া শিল্পপুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) সারোয়ার আলম বলেন, ৭৯টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারখানায় বন্ধের নোটিশ দেখতে পেয়ে শ্রমিকরা বাড়ি ফিরে যায়। আর কিছু কারখানায় সকালে কাজে যোগ দিয়ে কর্মবিরতি করলে ছুটি ঘোষণা করে মালিকপক্ষ। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা।

Tag :
About Author Information

আশুলিয়ার ৭৯ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

Update Time : ১২:২৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মুখে ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়ার ৭৯টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সোমবার সকাল থেকে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও বাড়তি নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন রয়েছে শিল্পপুলিশ, সেনা, র‌্যাব ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ ও কারখানা সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার দুপুর পর্যন্ত এই এলাকার অনন্ত, শারমীন, হামীম, স্টারলিং গ্রুপসহ ৬৮টি কারখানাতে ছুটি বহাল ছিল। যেসব কারখানা খোলা ছিল তার মধ্যে ১৩টি কারখানার শ্রমিকরা গতকাল সোমবার কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যায়। এ ছাড়া খোলা থাকলেও শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে কারখানার ভেতরে বিশৃঙ্খলা করছে এমন কারখানার সংখ্যা অন্তত ৮টি। এগুলো হলো, মন্ডল নিটওয়্যার, ন্যাচারাল ডেনিম, নিট কম্পোজিট, রেডিয়েন্স জিনস, রেডিয়েন্স ফ্যাশন, গার্মেন্টস এক্সপোর্ট ভিলেজ, ব্রেভো অ্যাপারেলস লিমিটেড, প্রিন্স জ্যাকার্ড সোয়েটার লিমিটেড। শ্রমিকরা বলেন, গত রোববার রাতে মালিকপক্ষ গতকাল সোমবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কারখানার সামনে নোটিশ টাঙিয়ে দেয়। এর মধ্যে কিছু কারখানাকে সকালে নোটিশ দিতে দেখা গেছে। শ্রমিকরা কারখানায় গিয়ে বন্ধের নোটিশ পেয়ে কারখানা থেকে ফিরে আসে। তবে সকালে শিমুলতলা এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে, যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গত রোববার সন্ধ্যায় জামগড়ার শিমুলতলা এলাকায় বেঙ্গল গ্রæপের ইউফোরিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কারখানার স্টাফ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শ্রমিকসহ কমপক্ষে ৩০ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে র‌্যাবের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করে বিক্ষুব্ধরা। আশুলিয়া শিল্পপুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) সারোয়ার আলম বলেন, ৭৯টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারখানায় বন্ধের নোটিশ দেখতে পেয়ে শ্রমিকরা বাড়ি ফিরে যায়। আর কিছু কারখানায় সকালে কাজে যোগ দিয়ে কর্মবিরতি করলে ছুটি ঘোষণা করে মালিকপক্ষ। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা।